বিজ্ঞাপন

পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি: বিদ্যালয়ের দখলে থাকার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে স্থানীয় স্বল্প মারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দখলে থাকায় তা উদ্ধারের দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

বিজ্ঞাপন

সোমবার ১৩ এপ্রিল সকালে আখড়া বাজার স্থানীয় একটি সাংবাদিক সংগঠনের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ সিরাজ উদ্দিন বলেন প্রায় ৮০ বছর আগের দানপত্র দলিল থাকা সত্ত্বেও জমিটি ফিরে না পাওয়ায় বর্তমানে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন তারা।

কিশোরগঞ্জের স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এক লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার স্বল্প মারিয়া এলাকার মৃত আব্দুল হেলিমের ছেলে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সিরাজ উদ্দিন, মোঃ হিরু মিয়া, মোঃ আব্দুল হাসিম, মোঃ খোকন, মোঃ লিটন, মোঃ হেলাল মিয়া, উপস্থিতে

সিরাজ উদ্দিন জানান, ১৯৪৫ সালে তার বাবা আব্দুল হেলিম ও চাচা আব্দুল মোতালিবকে তাদের দাদি মমরুজ জান বিবি ১৩ শতাংশ জমি দানপত্র (কাওলা) করে দেন। জমির দাগ নম্বর ৫৫০, বাট্টা দাগ ৭৭১ ও৫৫১। বর্তমানে এই জমিটি স্বল্প মারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দখলে রয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘ ২৫ থেকে ৩৫ বছর আগে তার বাবা ও চাচা মৃত্যুবরণ করার পর থেকেই এই পৈতৃক সম্পত্তিটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। জমিটি ফিরে পেতে তিনি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও প্রধান শিক্ষকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ এবং আলোচনা করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা সমাধান পাওয়া যায়নি।

সিরাজ উদ্দিন বলেন, “আমার বাবা ও চাচার নামে বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কাছে বারবার ধরণা দিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি।
এমতাবস্থায়, পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে এবং বিদ্যালয়ের দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং তদন্ত কামনা করেছেন তিনি।

পড়ুন:নববর্ষে মেট্রোরেল চলাচল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

দেখুন:৫৫ বছর আগে বাংলাদেশে আসা বীর বাহাদুর অবশেষে ফিরে গেলেন

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন