বিজ্ঞাপন

বাঁশখালীতে বেটিং অ্যাপে জুয়া: দুই যুবকের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পৌরসভার লক্ষ্ণী স্কয়ার এলাকায় অনলাইন বেটিং অ্যাপে জুয়া খেলার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরে প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মিয়ার বাজার এলাকার বাসিন্দা সাকলায়েন মুশতাক (২০) এবং দক্ষিণ জলদী আশকরিয়া পাড়ার বাসিন্দা মো. শাকিল (২৪)।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, প্রথমে সাকলায়েন মুশতাককে ধরিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন শাকিল। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা দাবি করেন, শাকিল নিজেও দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন তল্লাশি করে একাধিক বেটিং অ্যাপের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে উভয়ের মোবাইল ফোন যাচাই করে দেখা যায়, তারা বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে অর্ধলক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত লেনদেন করেছেন। ভিডিও বার্তায় তারা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথাও স্বীকার করেন।

তদন্তে আরও জানা যায়, একটি বেটিং লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এতে সাকলায়েন শাকিলের কাছে ৮ হাজার টাকা হারেন এবং তা পরিশোধও করেন। পরে শাকিল অতিরিক্ত ১২ হাজার টাকা দাবি করলে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। এর জের ধরে শাকিল সাকলায়েনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেন। পরে জনতার দাবির মুখে শাকিলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বাঁশখালী থানা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত এ মোবাইল কোর্ট অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকন। সহযোগিতায় ছিলেন বাঁশখালী থানার এএসআই আমিনুল ইসলাম।

আনোয়ারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকন বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বাঁশখালী পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা লক্ষ্ণী স্কয়ারে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বাঁশখালীতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ অভিযান চলমান থাকবে।

পড়ুন- ফ্যাসিবাদের পথেই হাটছে বিএনপি: জামায়াত আমির

দেখুন- বাবা ফেলে গেছে, সন্তানদের আগলে রেখেছেন মা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন