দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকার পাঠানচড়া বাজারের পাশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ কালভার্টটি এখন স্থানীয়দের জন্য আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। প্রায় দুই বছর আগে কাটলা ও জোতবানী ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই কালভার্টের ঠিক মাঝখানে একটি বড় গর্ত তৈরি হলেও এটি মেরামতে এলজিইডির কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।
২৫ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কালভার্টটি নির্মাণ করেছিল। বর্তমানে এটি দিয়ে প্রতিদিন ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেলসহ শত শত যানবাহন চলাচল করে। দিনের বেলায় মানুষ সাবধানে যাতায়াত করলেও রাতের অন্ধকার যেন বিভীষিকা হয়ে দাঁড়ায়। সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় দুই ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ এবং সাগরদীঘি ও ভাণ্ডাদীঘি দেখতে আসা পর্যটকদের জন্য এই সড়কটিই একমাত্র পথ। কিন্তু জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত এখানে দুর্ঘটনা ঘটছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলের কৃষকদের ফসল নিয়ে যাতায়াতে ভীষণ বেগ পেতে হচ্ছে। সম্প্রতি সাগরদীঘি এলাকার এক নারী এই গর্ত দিয়ে নিচে পানিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। এমনকি ছোট ছোট শিশুরা খেলার সময়ও প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি বারবার জানানো হলেও এত দিনেও কোনো সমাধান মেলেনি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী আতাউর রহমান জানান, কালভার্টটির বেহাল দশা সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নিছক আশ্বাস নয় বরং দ্রুত কাজের মাধ্যমে এই মরণফাঁদ থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে।


