বিজ্ঞাপন

বিসিবি সভাপতি ফারুকের মনোনয়ন বাতিল করল ক্রীড়া পরিষদ

বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে ৮ বোর্ড পরিচালক চিঠি দিয়েছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি)। ফলে ফারুকের মনোনয়ন বাতিল করেছে এনএসসি। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এনএসসি।

বিজ্ঞাপন

ফারুক আহমেদ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনীত পরিচালক হলেও তিনি পরিচালকদের দ্বারা নির্বাচিত ছিলেন। ফারুক আহমেদ সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে চাননি। তিনি যেহেতু পদত্যাগ করতে চাননি এবং সভাপতি অপসারণের বিষয়টি গঠনতন্ত্রে স্পষ্টত নেই ফলে একটা অস্পষ্টতা কাজ করছে। আবার বিসিবি সভাপতি হওয়ার অন্যতম শর্ত পরিচালক হওয়া। ফারুক পরিচালক না থাকলে তার সভাপতি পদে থাকারও যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে। 

ফারুকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সাবেক জাতীয় অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল এমন গুঞ্জন রয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আজ তাকে কাউন্সিলরও করেছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম এনডিসি বলেন,’ জনাব শেখ হামিম হাসানের পরিবর্তে জনাব আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাউন্সিলর মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।’

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে কাউন্সিলর মনোনয়ন দিয়েছে। ফারুক আহমেদের পরিচালক মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় এখন সেই পদে বুলবুলকে পরিচালক মনোনয়ন দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর আগে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিলর পরিবর্তন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হয়। 

এর আগে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের পদত্যাগ গুঞ্জনে সয়লাভ দেশের ক্রীড়াঙ্গন। তার কথার সূত্র ধরেই এই আলোচনার মাত্রা ছাড়িয়েছে। যেখানে ফারুক আহমেদ ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বিসিবি সভাপতির পদে পরিবর্তন চান বলে উল্লেখ করেন। তবে সেই গুঞ্জনের মাঝেই আজ (বুধবার) পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়ে দেন তিনি। এরই মাঝে ফারুকের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন বিসিবির আট পরিচালক।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারী ৮ পরিচালক হচ্ছেন– নাজমুল আবেদীন ফাহিম, ফাহিম সিনহা, সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী, ইফতেখার রহমান মিঠু, মাহবুব উল আলম, কাজী ইনাম আহমেদ, মনজুর আলম ও সালাউদ্দিন চৌধুরী।

ফারুক আহমেদের প্রতি আট পরিচালকের অভিযোগ, ‘দায়িত্বপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বোর্ডের কমিটিসমূহ পুনর্গঠনের কথা থাকলেও দীর্ঘ ৫ মাস পর তিনি কমিটি পুনর্গঠন করেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বোর্ড সভাপতির স্বেচ্ছাচারিতা ও একক আধিপত্যের কারণে বেশিরভাগ পরিচালকই স্বাভাবিকভাবে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিক ও স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে পারছেন না। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পাশ কাটিয়ে সভাপতির এককভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও একের পর এক দ্বায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ, একক আধিপত্য ও স্বেচ্ছাচারিতায় বিসিবির অভ্যন্তরে যেমন অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে, তেমনি দেশে ও বাইরে সুনাম ক্ষুণ্নসহ বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে চলেছে।’

পড়ুন : পাকিস্তানের কাছে হারলো বাংলাদেশ দল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন