বিজ্ঞাপন

ভোট গণনায় কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের নিয়ে মমতার মামলায় সাড়া দিলো না ভারতের সুপ্রীম কোর্ট

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বুথে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ভোটের কাজে নিযুক্ত করার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি ছিল, এই সিদ্ধান্তে নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং রাজ্যের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বাদ দিয়ে শুধু কেন্দ্রীয় কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়ায় পক্ষপাতের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এই মামলার শুনানি শনিবার (২ মে) সকালে সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর দেশের শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে এই বিষয়ে তারা কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা এবং ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের নির্ধারিত নির্দেশিকাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।

সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, কমিশনের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, সেই নিয়ম মেনেই ভোট গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আদালত স্পষ্ট করে দেয় যে গণনা প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের ব্যাঘাত ঘটানো বা নতুন নির্দেশ আরোপ করার প্রয়োজন নেই। ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের করা আবেদন কার্যত খারিজ হয়ে যায় বলে মনে করা হচ্ছে।

এই রায়ের পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আগেই অভিযোগ করা হয়েছিল যে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের অতিরিক্ত ব্যবহার করে ভোট পরিচালনায় নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। তাদের দাবি ছিল, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মীদেরও সমানভাবে দায়িত্ব দেওয়া উচিত ছিল যাতে ভারসাম্য বজায় থাকে।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান ছিল, ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরাপদ রাখার জন্য নির্দিষ্ট প্রশিক্ষিত কেন্দ্রীয় কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশনের মতে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো ভোটের দিন ও গণনার সময় কোনও রকম অনিয়ম বা প্রভাব এড়ানো।

সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণের ফলে কমিশনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোট গণনা প্রক্রিয়া পূর্বনির্ধারিত নিয়মেই চলবে এবং এতে কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।

পড়ুন: হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন