বিজ্ঞাপন

রাজবাড়ীতে দলিল লেখক অপহরণ কক্সবাজার থেকে আসামি গ্রেপ্তার, ভিকটিম উদ্ধার

রাজবাড়ী সদর উপজেলার কামালদিয়া থেকে দলিল লেখক উজ্জল ভৌমিক (৫৫) অপহরণের পরদিন স্ত্রীর মামলা দায়েরের ২৪ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ কক্সবাজার থেকে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে পুলিশ বুধবার দিবাগত রাতে পাবনার দুর্গম অঞ্চল থেকে অপহৃত দলিল লেখকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠিয়েছেন।

উজ্জল ভৌমিক রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের কামালদিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি রাজবাড়ী সদর উপজেলার একজন প্রতিষ্ঠিত দলিল লেখক। গত ১৩ এপ্রিল রাজবাড়ী থেকে বাড়ি যাবার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার বারবাকপুর গ্রামের ইমন শেখ (২২), আলাদীপুর গ্রামের জুয়েল মোল্লা ওরফে নিপু (২৬), বড় বারেক গ্রামের রিনা খাতুন (২৪), গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল আলিম (২৫) ও উপজেলার স্বরুপারচক গ্রামের রুবেল শেখ (২৫)। এদের মধ্যে জুয়েল ওরফে নিপুর বিরুদ্ধে সদর থানায় দুটি হত্যা ও একটি অস্ত্র মামলা রয়েছে।

জানা গেছে- সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল পাঁচটার দিকে রাজবাড়ী শহরের কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন উজ্জল ভৌমিক। বাড়ির কাছে কামালদিয়া ব্রীজের কাজে পৌছানো মাত্র ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি একটি প্রাইভেটকার নিয়ে পথরোধ করে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। দুর্বৃত্তরা এ সময় পরিবারের নিকট তার মুক্তিপণ বাবদ ৫০ লাখ টাকা দাবি করে। পরিবারের লোকজন বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরদিন ১৪ এপ্রিল ভিকটিমের স্ত্রী শেফালী ভৌমিক বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।

এ বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার বলেন, দলিল লেখক অপহরণ মামলার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামিদের শনাক্তের পর সদর থানার এসআই রুস্তুম আলীর নেতৃত্বে মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে অপহরণে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চরমপন্থী অধ্যুষিত পাবনার ঢালারচর থেকে দলিল লেখকে উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামিদের রাজবাড়ীর আদালতে এবং ভিকটিমকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পটিয়ায় এমআর ক্যাম্পেইন, টিকা পাবে ৪৫ হাজার শিশু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন