বিজ্ঞাপন

রুশ বিপ্লবের বীর শহীদদের স্মরণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকাস্থ রুশ হাউসের বৃক্ষরোপণ

আজ (শুক্রবার) সকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মদানকারী সোভিয়েত ইউনিয়নের বীর সেনাদের স্মরণে এবং Great Patriotic War (১৯৪১-১৯৪৫) এর ৮১তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে ‘গার্ডেন অব মেমোরি’ বা ‘স্মৃতি উদ্যান’ শীর্ষক এক বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার উদ্যোগে ধানমন্ডি লেকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

বিজ্ঞাপন

‘গার্ডেন অব মেমোরি’ রাশিয়া থেকে শুরু হওয়া একটি আন্তর্জাতিক স্মারক উদ্যোগ, যা Great Patriotic War এ নিহতদের স্মরণে উৎসর্গিত। এ কর্মসূচিতে প্রতি বছর রাশিয়া ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গাছ রোপণ করা হয়। রোপনকৃত প্রতিটি গাছ একটি প্রাণের প্রতীক হিসেবে একই সঙ্গে ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় অবদান রাখে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রশংসা করে বাংলাদেশের পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ লক্ষ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রশাসক আরও বলেন, “গার্ডেন অব মেমোরি” শুধু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং বাংলাদেশ ও রাশিয়ার জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক এবং পরিবেশ রক্ষায় যৌথ দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।”

তিনি শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর হিরোদের স্মরণে এই আয়োজন করার জন্য ঢাকাস্থ রাশিয়ার দূতাবাস ও রুশ হাউসকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রাশিয়ার দূতাবাসের মিনিস্টার-কাউন্সেলর ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিন (Vyacheslav Sentyurin) এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকাস্থ রুশ হাউসের পরিচালক আলেকজান্দ্রা এ. খলেভনয় (Alexandra Khlevnoy)।

পড়ুন- ঢাকা জেলায় যুক্ত হচ্ছে এবার পুরো পূর্বাচল শহর

দেখুন- ‘ছাত্রদলের শৈশব শুরু ৪০ বছর পর আর যৌবন শুরু ৫০ বছরে’

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন