বিজ্ঞাপন

শিল্পী আব্দুল আলীমের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা চুরি, পুলিশ যা বলছে

লোকসঙ্গীত শিল্পী আব্দুল আলীমের বাড়িতে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা চুরিসহ একাধিক সম্মাননা স্মারক, অর্থ, স্বর্ণ-অলংকার চুরির ঘটনা ঘটে গত ৮ মে। ঘটনার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনার কোনো সুরাহা করতে পারেনি স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, আব্দুল আলীমের মেজো মেয়ে আসিয়া আলীমের বাসা খিলগাঁওয়ে। সে বাসাতেই গত ৮ মে চুরি ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ঘরে তালা দিয়ে বাইরে হাঁটতে বের হন আসিয়া। ফিরে আসার পরই দেখেন তার ঘর খোলা, খোয়া গেছে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা সহ একাধিক মূল্যবান সামগ্রী।

এ ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, আসিয়া যে বাড়িতে (খিলগাঁও সি ব্লকের পুনর্বাসন আবাসিক এলাকার তিনতলা বাড়ি) থাকেন সেটি ছয় ইউনিটের। যার পাঁচটিতে শিল্পীর সন্তানরাই থাকেন এবং একটি ইউনিট ভাড়া দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় পরিবারের ভেতরের কেউ এ চুরির ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে, বলে সন্দেহ প্রকাশ করছেন আসিয়া।

এদিকে ঘটনার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধান করা হচ্ছে বাড়ির আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ।

এ প্রসঙ্গে খিলগাঁও থানার এসআই নজরুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমে বলেন, বাড়ির আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পাঁচজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তাদের মুখ স্পষ্ট না হওয়ায় তদন্ত এখনও চলমান।

ওসি দাউদ হোসেন জানান, রাষ্ট্রীয় পদক চুরির ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরায় সন্দেহভাজনদের মুখ স্পষ্ট নয়। তাই প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, আব্দুল আলীমের মেয়ে আসিয়া আলীমের বাসা থেকে চুরি যাওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৭৭ সালের একুশে পদক, ১৯৯৭ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার, ১৯৬০ সালে পাকিস্তানি প্রেসিডেন্টের দেয়া তমঘা-ই-হুসন এবং লাহোরে নিখিল পাকিস্তান সংগীত সম্মেলনে প্রাপ্ত দুটি সম্মাননা স্মারক।

সঙ্গে চুরি হয়েছে ৫০ হাজার টাকা, একটি স্বর্ণের কানের দুল ও একটি গলার হার। চুরির ঘটনায় স্বর্ণালঙ্কার কিংবা টাকাপয়সা হারানোতে কষ্ট না পেলেও বাবার স্মৃতি, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হারিয়ে শোকে কাতর এখন শিল্পীর পরিবার।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : তাণ্ডব’বের অ্যাকশন লুকে শাকিব খান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন