বিজ্ঞাপন

সামনে ঈদ দাম বেড়েছে যেসব পণ্যের

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাজারে বেশকিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। তালিকায় রয়েছে ডিম, মুরগি, ভোজ্যতেল, মসুর ডালসহ বেশকিছু পণ্য। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক পণ্যমূল্যের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি হালি ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৩৬ থেকে ৪০ টাকা। আগের দিন ৩২ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া খুচরা বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এদিন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা, যা এক দিন আগেও ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে ১৮০ থেকে ১৯০ এবং এক মাস আগে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ভোজ্যতেল, মসুর ডাল, জিরা, লবঙ্গ ও চিনির মূল্যও বেড়েছে : টিসিবি সূত্র জানায়, খুচরা বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাত দিন আগেও ছিল ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা। বোতলজাত ২ লিটারের সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৩৯০ থেকে ৩৯৫ টাকা, যা সাত দিন আগে ৩৮৫ থেকে ৩৯৫ টাকা ছিল। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ থেকে ৯৫৫, যা সাত দিন আগে ৯২০ থেকে ৯৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে ৬৪০ টাকা, যা সাত দিন আগে ৬০০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ টাকা, যা আগে ১২০০ টাকা ছিল।

এদিকে উৎপাদন খরচ সাড়ে ৯ টাকা হলেও লোকসান গুনে প্রান্তিক খামারিরা প্রতি পিস ডিম খামার পর্যায়ে সাড়ে ৬ টাকা বিক্রি করছেন। অথচ সেই ডিম আড়ত হয়ে খুচরা বাজারে সাধারণ ভোক্তাকে ১১ টাকায় কিনে খেতে হচ্ছে। কিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠানের দৌরাত্ম্যে একদিকে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে বাড়তি মূল্যে ডিম কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতা। আর দীর্ঘদিন লোকসান গুনে অনেক প্রান্তিক খামার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছোট খামারগুলো বন্ধ হয়ে গেলে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ডিম ও মুরগির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। এতে চাপে পড়বে ভোক্তা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মুরগির দাম বেশি, ভিড় সেমাই-চিনির দোকানে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন