বিজ্ঞাপন

সিরাজগঞ্জে এনজিও ঋণ পরিশোধ না করায় গৃহবধু গ্রেফতার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে টিএমএসএস নামের একটি এনজিও থেকে নেওয়া ৫০ হাজার টাকা ঋণের মধ্যে মাত্র ২৫ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় মোছা. জান্নাতি খাতুন (২৫) নামের গৃহবধূকে গ্রেফতারী পরোয়ানামুলে থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর পাটগাড়ি পাড়ার আব্দুর গফুরের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী জান্নাতি খাতুনকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে তাকে তাড়াশ থানা হাজতে রাখা হয়েছিল।

শুক্রবার সকালে সিরাজগঞ্জের একটি আদালতের মাধ্যমে ওই নারীকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন তাড়াশ থানার ওসি হাবিবুর রহমান।

জানা গেছে, উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর পাটগাড়ী পাড়ার আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক বছর খানেক আগে ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (টিএমএসএস) নামের এনজিওতে ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের ফিল্ড সুপারভাইজার পদে নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার কাছিকাটা শাখায় কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি চাকুরীর শর্ত মোতাবেক ২৪ হাজার ৮০০ টাকা জামানত জমা রাখেন। পাশাপাশি আব্দুর রাজ্জাক ওই শাখা থেকে তার স্ত্রী জান্নাতি খাতুনের নামে ৫০ হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণও গ্রহন করেন। এরপর আব্দুর রাজ্জাক ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (টিএমএসএস) নামের এনজিও‘র চাকুরী থেকে ইস্তফা দেন।

এ দিকে আব্দুর রাজ্জাক দাবী করেন, ওই এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণের প্রায় ২৫ হাজার টাকা কয়েক কিস্তিতে পরিশোধ করেছি। পাশাপাশি চাকুরীকালীন সময়ে আমার জামানত রাখা ২৪ হাজার ৮০০ টাকা স্ত্রীর ঋণের সাথে সম্মনয় করতে শাখা ব্যব্স্থাপককে অনুবোধ করি। কিন্তু এনজিও কর্তৃপক্ষ জামানত রাখা ২৪ হাজার ৮০০ টাকা আমার স্ত্রীর ঋণের সাথে সম্মনয় না করে আমার স্ত্রী জান্নাতির নামে আদালতে মামলা করেন। সাক্ষরিত সাদা চেকে কত টাকা দাবি করে মামলা করেছেন এনজিও কর্তৃপক্ষ তাও জানিনা।

গ্রেফতারের বিষয়টি তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান নিশ্চিত করে বলেন, আমরা গ্রেফতারি পরোয়ানা ( ওয়ারেন্ট) থাকায় ওই গৃহবধুকে গ্রেফতার করো হয়েছে। আদালতে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ফকিরহাটে দুর্গামন্দিরের বারান্দা থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন