বিজ্ঞাপন

সোনার দামে রেকর্ড, ভরি ছাড়াল ২ লাখ

দেশের বাজারে ফের সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ তিন হাজার ১৪৯ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৭২৬ টাকা। যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ দাম। আজ প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকায় বেচাকেনা হয়েছে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা।

সোনার দাম দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৬২৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ২২৮ টাকায় কেনা-বেচা হবে।

আজকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হয়েছে এক লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ ৮৮ হাজার ৫৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল এক লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল সরকারের অচলাবস্থা (শাটডাউন) ও সুদের হার কমানোর জল্পনা-বাতাসে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে ঐতিহাসিক উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী, সোমবার ভোর ৫টায় মিনিটে স্বর্ণের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৪৫.১২ ডলারে দাঁড়ায়, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এক ঘণ্টা পর, সকাল ৬টা ২০ মিনিটে দাম কিছুটা কমে ৩ হাজার ৯২৬.৪০ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।

গত ১২ মাসে স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫৩৬.৯১ থেকে ৩ হাজার ৯৪৫.১২ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করেছে—এই সময়ে দাম বেড়েছে ৪৮ শতাংশেরও বেশি।

যদিও সরকার অচলাবস্থা সরাসরি অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টি করে না, তবুও এটি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বহু ফেডারেল কর্মী বেতন ছাড়া কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন বা বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি সরকারি সংস্থা তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘অপরিহার্য’ কর্মীদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

অচলাবস্থার কারণে আগামী দিনগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশও স্থগিত থাকবে। মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো জানিয়েছে, শাটডাউনের সময় কর্মসংস্থান, বেকারভাতা আবেদন ও মূল্যস্ফীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হবে না।

শুধু মার্কিন শাটডাউন নয়; সামগ্রিক ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্বেগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ ক্রয় এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার নীতিই স্বর্ণবাজারে উর্ধ্বগতির প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে গত সপ্তাহে ফেড ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদহার কমিয়েছে।

পড়ুন : অক্টোবরের ৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪২ কোটি ডলার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন