বিজ্ঞাপন

হিলিতে উধাও বোতলজাত সোয়াবিন তেল

হিলি বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট, খোলা তেল ২১০ টাকা লিটার। দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় কোথাও কোথাও বোতলজাত তেল বিক্রি বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে লিটারে প্রায় ২১০ টাকায়।

বিজ্ঞাপন


আজ শুক্রবার  (১৭ এপ্রিল) সকালে হিলি বাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ দোকানেই ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। কিছু দোকানে অল্প পরিমাণ তেল থাকলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। অনেক দোকানি জানান, তারা চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাচ্ছেন না।


বাজারে গিয়ে আরও দেখা যায়, কিছু ব্যবসায়ী বোতলজাত তেলের সঙ্গে আটা, চা-পাতা ও সরিষার তেল কিনতে ক্রেতাদের উৎসাহিত করছেন বা শর্ত দিচ্ছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে বাড়তি পণ্যসহ অর্ডার দিলেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না।
ক্রেতা আলমগীর হোসেন জানান, অনেক দোকানে খোঁজ করেও বোতলজাত তেল পাননি, পরে বাধ্য হয়ে খোলা তেল কিনেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম জানান, বাজারে অল্প কিছু দোকানে তেল পাওয়া গেলেও দাম অনেক বেশি। তাই তিনি না কিনে ফিরে যেতে বাধ্য হন।


হিলি বাজারের ব্যবসায়ী আলোক অধিকারী জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে গেছে। তিনি বলেন, এক কার্টনে ১৮টি এক লিটারের বোতল থাকে। কিন্তু সেই কার্টন নিতে হলে ৩ কেজি চা-পাতা অথবা ১০ কেজি আটা কিনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনের জায়গায় এসব পণ্য বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
অন্য ব্যবসায়ী মোকারাম হোসেন জানান, সরবরাহ কম থাকায় ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং দামও বাড়ছে।


এদিকে ক্রেতারা জানান, বোতলজাত তেল না পেয়ে তারা বাধ্য হয়ে খোলা তেল কিনছেন বেশি দামে। রেহেনা খাতুন বলেন, বাজারে বোতলজাত তেল প্রায় নেই বললেই চলে। খোলা তেলের দামও অনেক বেশি হওয়ায় খরচ বেড়ে গেছে। তিনি বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানান।


এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, হিলিতে বোতলজাত তেলের সংকটের বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণ করছেন। কেউ অবৈধভাবে মজুত করে বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


তিনি আরও বলেন, সারা দেশেই যদি তেলের সংকট পরিস্থিতি বিরাজ করে, কিংবা কোনো কোম্পানি পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে এ ধরনের শর্ত আরোপ করে তেল বিক্রি করতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুন- ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

দেখুন- নাটোরে তেল দিতে দেরি হওয়ায় ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন