বিজ্ঞাপন

১৮ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে আইপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু

আইপিএলের একদম প্রথম আসর থেকেই শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। প্রায় সবগুলো আসরেই শক্তিশালী ছিল তাদের দল। ৩ বার ফাইনালও খেলেছে বিরাট কোহলির দলটি। তবে কোনোবারই শিরোপার মুখ দেখা হয়নি তাদের। অবশেষে সেই আক্ষেপ ঘুচল।

আহমেদাবাদে আজ (৩ জুন) আইপিএলের ফাইনালে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বেঙ্গালুরু। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে ১৯০ রান করে বেঙ্গালুরু। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ১৮৪ রানে থামে পাঞ্জাব।

রান তাড়ায় শুরুটা ভালোই করে পাঞ্জাব। ওপেনিং জুটিতে প্রবসিমরান সিং এবং প্রিয়ন্স আর্য মিলে ৪৩ রান যোগ করেন। ১৯ বলে ২৪ রান পঞ্চম ওভারের শেষ বলে জশ হ্যাজেলউডের শিকার হয়ে ফেরেন আর্য। পাওয়ারপ্লেতে ৫২ রান করে পাঞ্জাব।

ওপেনিংয়ে সাধারণত ঝোড়ো ব্যাটিং করলেও আজ শুরুটা তেমন ভালো করতে পারেননি প্রবসিমরান সিং। ২২ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৭২ রানে ফেরেন তিনি। তবে পাঞ্জাব সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খায় অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের উইকেট দ্রুত হারিয়ে। মাত্র ১ রান করে ইনিংসের দশম ওভারে সাজঘরে ফেরেন আইয়ার। ১০ ওভারে পাঞ্জাবের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৮১ রান।

দারুণ ফর্মে থাকা জশ ইংলিস শুরুটা ভালো করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২৩ বলে ৩৯ রান করে দলকে বিপদের মুখে রেখে আউট হন তিনি। নেহাল ওয়াধেরা হাল তো ধরতেই পারেননি, উল্টো ১৮ বলে ১৫ রান করে দলকে বিপদে ফেলেছেন।

\মার্কাস স্টয়নিস নিজের খেলা প্রথম বলে ছক্কা মারেন। তখন জয়ের জন্য ২১ বলে ৪৯ দরকার পাঞ্জাবের, হাতে ৫ উইকেট। তবে ভুবনেশ্বর কুমারের পরের বলে আউট হয় দলকে হারের দিকে ঠেলে দিয়ে যান অজি এই অলরাউন্ডার। শেষদিকে একাই চেষ্টা করেছেন শশাঙ্ক সিং। তবে ৩০ বলে ৬ ছক্কা ও ৩ চারে তার ৬১ রানের ইনিংস আক্ষেপই বাড়িয়েছে পাঞ্জাবের।

বেঙ্গালুরুর হয়ে ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ম্যাচ উইনিং বোলিং করেছেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ২ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৮ রানে বিধ্বংসী ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্টের উইকেট হারায় বেঙ্গালুরু। দ্বিতীয় উইকেটে মায়াঙ্ক আগারওয়ালের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়েন কোহলি। ১৮ বলে ২৪ রান করে আগারওয়ালের বিদায়ে ভাঙে সেই জুটিও। ৭ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান করে বেঙ্গালুরু।

বেঙ্গালুরুর হয়ে ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ম্যাচ উইনিং বোলিং করেছেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ২ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৮ রানে বিধ্বংসী ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্টের উইকেট হারায় বেঙ্গালুরু। দ্বিতীয় উইকেটে মায়াঙ্ক আগারওয়ালের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়েন কোহলি। ১৮ বলে ২৪ রান করে আগারওয়ালের বিদায়ে ভাঙে সেই জুটিও। ৭ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান করে বেঙ্গালুরু।

এক পাশে ব্যাটাররা দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করলেও ফাইনালে কোহলির ব্যাট চলেছে খুবই ধীরগতিতে। এতে রানের চাপও বাড়তে থাকে। আর সেই চাপে পড়েই ফেরেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। ১৬ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৯৬ রানে আউট হন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক।

ধীরগতিতে শুরু করা ইনিংসের ক্ষতি পুষিয়ে দিয়ে যেতে পারেননি কোহলি। ৩৫ বলে ৪৩ রান করে তিনি ফেরেন আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের শিকার হয়ে। কোহলির বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে এসে কিছুটা ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন লিয়াম লিভিংস্টোন। পঞ্চম উইকেটে ১২ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়েন তারা।

১৭তম ওভারের পঞ্চম বলে ফুলটস বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন লিভিংস্টোন। ১৫ বলে ২৫ রান করে কাইল জেমিসনের শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। ১০ বলে ২৪ রান করা জিতেশও ফেরেন পরের ওভারে।

শেষ ৩ ওভারে কেবল ২২ রান করতে পারে বেঙ্গালুরু। সেটাও সম্ভব হয়েছে শেফার্ডের ৯ বলে ১৭ রানের ইনিংসের কল্যাণে। ইনিংসের শেষ ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়েছেন আর্শদীপ সিং।

পাঞ্জাবের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন আর্শদীপ সিং এবং কাইল জেমিসন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আইপিএল ফাইনালে আজ রাতে মাঠে নামবে বেঙ্গালুরু-পাঞ্জাব

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন