বিজ্ঞাপন

চিকিৎসক-শিক্ষার্থীদের উত্তেজনা : ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন, জরুরী বিভাগে সেবা শুরু

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনায় উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে হাসপাতালের পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, পুলিশের ডিসি ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিসহ সব পক্ষ। বৈঠকে ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪ ঘন্টা পর জরুরী বিভাগে সেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের সভাকক্ষে বৈঠক শুরু হয়।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারনেট চিকিৎসকের মধ্যে জরুরি বিভাগের মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে এই ঘটনায় হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার পর উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায় এবং দুপক্ষই স্লোগান দিতে থাকে। হাসপাতালে মারামারির ঘটনায় জরুরি বিভাগের গেট বন্ধ রয়েছে। এই ঘটনায় বেশ ভোগান্তিতে পড়েছে হাসপাতালে আগত রোগীরা।

ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত জেনারেল সার্জারি বিভাগের এক চিকিৎসক রোগীকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অন্যান্য চিকিৎসার পাশাপাশি বাইরে থেকে ‘নেলবান’ নামের একটি ইনজেকশন কিনে আনার পরামর্শ দেন। এটি হাসপাতালে ছিল না। শিক্ষার্থীর সঙ্গে থাকা সহপাঠীরা ইনজেকশনটি কিনতে বাইরে গেলে কোথাও তা খুঁজে পাননি। পরে তারা আবার হাসপাতালে ফিরে এসে চিকিৎসকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান যে, এই ইনজেকশন খুঁজে কোথাও পাওয়া যায়নি।

আরও জানা যায়, এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয় বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাসপাতালের ভবনের নিচে জরুরি বিভাগের প্রধান প্রবেশপথ ‘কেচি গেট’ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে, হাসপাতালের ভেতরে অবস্থান নেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। মাঝে কেচি গেট তালা মারা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ঢামেকে জরুরি বিভাগ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে রোগীদের, চিকিৎসা সেবা আপাতত বন্ধ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন