বিজ্ঞাপন

মিরসরাইয়ে ৩০ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ভোগান্তিতে ১০ হাজার পরিবার

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে অন্ধকার হয়ে পড়েছে উপজেলার বেশকিছু এলাকা। উপজেলার বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের আওতাধীন ৬ নম্বর লাইনের সোনাপাহাড়, ফার্ম হাউস, কাটাবিল, ঘরতাকিয়া, মস্তাননগর, আনসার ক্যাম্পসহ বেশকিছু এলাকায় গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়া এবং তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এসব এলাকার ১০ হাজার গ্রাহক অন্ধকারে। এতে বিঘ্ন ঘটেছে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ালেখায়। ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে হোটেল-রেস্টুরেস্টসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের।

বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুরের পর থেকে উপজেলাজুড়ে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। ঝড় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন উপজেলার অন্তত ২০ হাজার গ্রাহক। গত দুইদিন ধরে উদ্ধার কার্যক্রমে ৭০ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সেবা স্বাভাবিক হলেও এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে অন্ধকারে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের আওতাধীন প্রায় ১০ হাজার। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা।

তবে গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘ ৩০ ঘন্টার বেশি সময় চলে গেলেও এখনও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাঘাত ঘটছে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ালেখা এবং মুরগির খামারীরা ক্ষতির মুখে পড়ারও অভিযোগ করেছেন।

জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড়ের জান্নাত হোটেলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মন্নান বলেন, শনিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ নেই, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজের সব জিনিস নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কোনো কিছু বিক্রিও করতে পারছি না। কখন বিদ্যুৎ পাবো সেটাও বুঝতেছিনা।

একই এলাকার এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. শামীম বলেন, শনিবার বৃষ্টি শুরু হওয়ার সাথে বিদ্যুৎ গেছে যে, এখনো পর্যন্ত আসেনি। প্রায় ৩০ ঘন্টার উপর হয়েছে। এর মধ্যে আমাদের এসএসসি পরীক্ষা চলছে। বিদ্যুৎ না থাকায় পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটছে।

ব্যবসায়ী একরামুল হক বলেন, ব্যবসার সাথে বিদ্যুৎ ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। টিভি, ফ্রিজসহ সবকিছু বিদ্যুৎতের উপর নির্ভর। দীর্ঘ ৩০ ঘন্টার অধিক বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজের বিভিন্ন জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে অন্য কোনোগ্রহে বসবাস করছি।

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের ডিজিএম হেদায়েত উল্লাহ বলেন, ঝড়ো হাওয়ায় তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এবং খুঁটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের আওতাধীন ২০ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সেবা ব্যাহত হয়। আমরা সর্বোচ্চ কাজ করে যাচ্ছি। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার গ্রাহকের সেবা বন্ধ রয়েছে। আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে। বৃষ্টির কারণে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তবে আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সেবা স্বাভাবিক হবে।

পড়ুন:নেতা আটক তাই থানা ঘেরাও

দেখুন:ইস্তাম্বুল: সোশ্যাল মিডিয়ার ছবির মতোই জাদুকরী? | 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন