বিজ্ঞাপন

দোহারে বকনা বাছুর পেয়ে লাভবান হচ্ছে জেলে পরিবার

মাছ ধরার পাশাপাশি ধীরে ধীরে পরম যতেœ লালন পালন করেছিলেন একটি বকনা বাছুর। সেই বাছুর বিক্রি করে লাভবান হয়ে অস্টেলিয়ান জাতের আরও একটি বাছুর কিনেন জেলে ফজল মিয়া। তিনবছর আগে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সংস্থার অর্থায়নে দোহার উপজেলা মৎস্য অফিসের সহযোগিতায় ফজল মিয়ার মতো বিলাশপুর ইউনিয়নের আবুল কালামও পেয়েছেন একটি বকনা বাছুর।

বিজ্ঞাপন

অসচ্ছলতার পথ পাড়ি দিয়ে হাটছেন স্বচ্ছলতার দিকে। স্বপ্ন দেখছেন ভবিষ্যতে বড় খামার করার। এ নিয়ে সরকারি ভাবে বকনা বাছুর পেয়ে লাভবান হচ্ছেন দোহারের ৩০ টি জেলে পরিবার।


দোহার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা মুন্নী বলেন, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সংস্থার অর্থায়নে দোহার উপজেলায় বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছিলো। যখন ইলিশ মাছ সংরক্ষণ করা বন্ধ থাকে তখন বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে জেলেদের বকনা বাছুর দেওয়া হয়।


তিনি আরও বলেন, আমরা জেলেদের বাড়িতে পরিদর্শনে এসেছি, জেলেরা মাছ ধরার পাশাপাশি বকনা বাছুর পেয়ে তাদের পরিবারে আগের থেকে ২ থেকে ৩ গুণ স্বচ্ছলতা আনতে পারবে। পরিদর্শনে এসে তাদের এমন সাফল্য দেখে আমাদের মনে তৃপ্তি অনুভব করছি। আর ১০, ১৫ দিন হলেই তাদের গরু গুলো বাচ্চা দেওয়া শুরু করবে। এতে করে তাদের গরুগুলো বাচ্চা দেওয়ার মাধ্যমে খামারের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে। পাশাপাশি দুধ দোহন করে জীবিকা নির্বাহ করে আয় বৃদ্ধি করতে পারবে।

পড়ুন- ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবেন ট্রাম্প

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন