পাবনা কাশীনাথপুর আত্রাই নদী দখলদারদের কবলে,নামে নদী, অথচ রূপ যৌবন এখন আর কিছুই নেই তার। নদীর জায়গা দখল আর পরিত্যক্ত ময়লায় ভরে উঠেছে নদীটির অধিকাংশ এলাকা।বিস্তারিত জানাচ্ছেন আমাদের প্রতিনিধি মোঃ হাসান মিয়া।
পাবনা বেড়া সাঁথিয়া এবং সুজানগর উপজেলার ত্রিসীমানায় অবস্থিত কাশিনাথপুর ফুলবাগান বাজার। প্রতিদিন এখানে প্রায় কয়েক হাজার মানুষের বিচরণ ঘটে। বাজারটির পশ্চিম পাশেই অবস্থিত যানবাহন এবং পথচারীদের পারাপারের একটি মাত্র ব্রিজ। অথচ ময়লার দুর্গন্ধে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে সেই ব্রিজটি উপর দিয়ে ।
দুর্গন্ধে প্রতিনিয়তই মুখ চেপে পথচারীদের পার হতে হয় ব্রিজটি এখান দিয়ে। আশপাশের দোকানদার এবং স্থাপনা মালিকদের অভিযোগ,
প্রতিবছর ৬-৭ বার আগুন লাগে ব্রিজের এখানে। ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় প্রতিবারই সে আগুন নেভানো হয়। চরম আতঙ্ক আর ভয়ের মাঝে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছেন তারা।
নাগরিক টেলিভিশন খোঁজ নিয়ে জানতে পারে কাশীনাথপুর এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি হাসপাতাল শপিং মল খাবার হোটেল কাঁচা বাজার মুদি দোকানসহ সকল প্রতিষ্ঠানের পরিত্যাক্ত বজ্রগুলো প্রতিনিয়তই এই ব্রিজের নিচে ফালানো হয় । এতে চরম দুর্গন্ধে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারীরা। ময়লা ফেলতে ফেলতে এখানে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল এক ময়লার পাহাড়।
তাছাড়া বর্ষা মৌসুম এলেও এখন আর পর্যাপ্ত পানি পায় না এলাকার মানুষ। যতটুকুই মেলে সেটাও ব্যবহারের অযোগ্য। অথচ একসময় এ নদীতেই চলেছে বড় বড় জাহাজ স্টিমার লঞ্চ আর যাত্রীবাহী নৌকা। তাই ব্রিজটি চলাচলের জন্য স্বাভাবিক রাখতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষে গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার পথচারী এবং সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনাল্ট চাকমা জানান, এ বিষয়ে আমরা অবগত আছি। ইতোমধ্যে পাবনা- ২ আসনের সংসদ সদস্য এমকেএম সেলিম রেজা হাবিবের সাথে কথা হয়েছে, খুব দ্রুত নদী খনন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন- রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ২৪টি পরিবেশ মনিটরিং স্টেশন স্থাপন


