বিজ্ঞাপন

ক্যানসার হাসপাতাল স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন জামায়াত আমির

বাংলাদেশে একটি বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতাল স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

জাপানের স্থানীয় সময় শুক্রবার (৮ মে) বিকাল সাড়ে ৫টায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমোকির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ জানান। বৈঠকে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকের শুরুতে শিমাদা তোমোকি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়ে বিরোধীদলীয় নেতা মনোনীত হওয়ায় ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগত সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশে একটি বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতাল স্থাপনে বিশেষভাবে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনায় জাপানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে জাপান।

এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশে জাপানের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের অবদানের কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যতে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তির দাবি জামায়াত আমিরের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন