প্রথম দিন শেষে ম্যাচে স্পষ্টতই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনেও শুরুটা ভালোই করেছিল টাইগাররা। তবে বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচ থেকে দূরে সরে গেছে তারা। বিশেষ করে বোলিংয়ে একেবারেই ছন্নছাড়া ভাব ছিল। পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২২ ওভার! দিনের একমাত্র সাফল্যও সেটি। তাই প্রথম ইনিংসে চারশোর্ধ্ব রান করেও দ্বিতীয় দিন শেষে ম্যাচে পিছিয়ে স্বাগতিকরা।
মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের সংগ্রহ এক উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান। তারা এখনও ২৩৪ রানে পিছিয়ে আছে, তবে হাতে আছে আরো ৯ উইকেট। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে করেছে ৪১৩ রান।
আগের দিন ৪৮ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিকুর রহিম ও ৮ রান করা লিটন দাস ব্যাট করতে নামেন। পাকিস্তানের হয়ে বোলিং শুরু করেন পেসার হাসান আলি।
দিনের দ্বিতীয় ওভারেই শাহিন শাহ আফ্রিদির উপর চড়াও হন লিটন দাস। টানা তিন বাউন্ডারি হাকান লিটন। তবে ৩৩ রান করে মোহাম্মদ আব্বাসের পেসে পরাস্ত হন লিটন।
এরপর মিরাজ ১০ আর তাইজুল ইসলাম ১৭ রান করে আব্বাসের শিকার হলে ৩৭৮ রানে ৭ম উইকেট হারায় বাংলাদেশ
অন্যপ্রান্তে নিজের জন্মদিনে ১১৪ বলে ফিফটি তুলে নেন মুশফিকুর রহিম। ৭১ রান করে মুশফিকও ফেরেন শাহিন আফ্রিদির পেসে। পাকিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ আব্বাস ৫টি আর শাহিন শাহ আফ্রিদি তুলে নেন ৩টি উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনা করে দুই পাকিস্তানি ব্যাটার আজান ও ইমাম। প্রথম উইকেটেই দুজন মিলে গড়েন শতরানের জুটি। দলীয় ১০৬ ও ব্যক্তিগত ৪৫ রানে মেহেদী মিরাজের লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ইমাম।
দিন শেষে ক্রিজে রয়েছেন আজান ও ফজল। দু’জন অপরাজিত আছেন যথাক্রমে ৮৫ ও ৩৭ রানে।
পড়ুন : চারশ পেরিয়ে অলআউট বাংলাদেশ


