বিজ্ঞাপন

পর্দার‌ বাকের ভাই হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেলেও বাস্তবে জামিন পেলেন আসাদুজ্জামান নূর

কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কালজয়ী সৃষ্টি ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের সেই জনপ্রিয় চরিত্র ‘বাকের ভাই’ আইনি মারপ্যাঁচে হেরে গিয়ে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলেছিলেন, যা দেখে সেদিন কেঁদেছিল পুরো বাংলাদেশ। তবে বাস্তব জীবনের আদালতের লড়াইয়ে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন সেই কিংবদন্তি অভিনেতা ও সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দায়ের করা পৃথক দুটি হত্যা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১০ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসাদুজ্জামান নূরের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে নূরের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও ব্যারিস্টার রেহান। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শায়লা শারমিন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলামিন জামিনের তীব্র বিরোধিতা করলেও আদালত নূরের জামিন আদেশ প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর ও রমনা থানায় দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে বেইলি রোড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে মিরপুর থানায় দায়ের করা ১৭ বছর বয়সী কিশোর সিয়াম সরদার হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৪ জনের সাথে আসাদুজ্জামান নূরের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

হাইকোর্ট থেকে দুই মামলায় জামিন পেলেও আইনি জটিলতা এখনই কাটছে না এই সাবেক মন্ত্রীর। আজই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোশাররফ হোসেন মিরপুর থানার একটি হত্যা মামলায় আসাদুজ্জামান নূর এবং সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পর্দার ট্র্যাজিক হিরো “বাকের ভাই” হিসেবে বাঙালির হৃদয়ে জায়গা করে নিলেও, বাস্তব জীবনের রাজনৈতিক ও আইনি এই “অগ্নিপরীক্ষা” থেকে আসাদুজ্জামান নূর শেষ পর্যন্ত কীভাবে উত্তীর্ণ হন, তা এখন দেখার বিষয়।

পড়ুন:কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার লাইফ সাপোর্টে

দেখুন:মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে আ/ক্র/ম/ণ করেছে ইরান? 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন