পরিকল্পিতভাবে ওষুধ শিল্পকে ধ্বংসের পাঁয়তারা, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রশাসনিক হয়রানি এবং কিছু গণমাধ্যমে তাদের দালাল বলে সম্বোধনের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে ম্যানেজার এসোসিয়েশন ফোরাম ও ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ এসোসিয়েশনের আয়োজনে এ প্রতিবাদ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তারা বলেন, ওষুধ প্রতিনিধিরা চিকিৎসক ও ফার্মেসির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন এবং দেশের ওষুধ শিল্পের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের পেশাগত পরিচয় নিয়ে কটূক্তি, হয়রানি ও হেনস্তা করা হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ জেলা ম্যানেজার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলী হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন, সহ-সভাপতি আসাদুল ইসলাম আসাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান, সিরাজগঞ্জ জেলা ফারিয়ার সভাপতি মো. ইলিয়াস হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক বাপ্পি তালুকদার।
বক্তারা গত ৪ তারিখে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় পুলিশের মাধ্যমে রিপ্রেজেন্টেটিভদের হেনস্তা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
এ সময় তারা পেশাগত মানোন্নয়ন ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো, ১.সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন: ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথক আইন বা নীতিমালা প্রণয়ন। ২.বেতন কাঠামো নির্ধারণ: সরকারি নতুন বেতন স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম বেতন নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন। ৩.ভাতা বৃদ্ধি: বর্তমান মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টিএ/ডিএসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধি। ৪.চাকরির নিশ্চয়তা: অকারণে চাকরিচ্যুতি বন্ধ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৫.কর্মঘণ্টা নির্ধারণ: সুনির্দিষ্ট দৈনিক কর্মঘণ্টা নির্ধারণ ও সাপ্তাহিক ছুটি নিশ্চিত করা।
পড়ুন- পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের জ্ঞান বিনিময় খুবই ভালো হবে: শিক্ষামন্ত্রী


