বিজ্ঞাপন

রাসিকের উদ্যোগে মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব বেঞ্চ স্থাপন

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটনের নির্দেশে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ফুটপাতজুড়ে শিক্ষার্থীবান্ধব ও আকর্ষণীয় বেঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত দাবিটি বাস্তবায়িত হওয়ায় শিক্ষার্থী, রোগীর স্বজন ও সাধারণ পথচারীরা স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রাসিক প্রশাসকের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারা।

জানা গেছে, মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা ক্লাস, ওয়ার্ড, ল্যাব, লাইব্রেরি ও দীর্ঘ ডিউটির ফাঁকে বসার উপযোগী বিশ্রামস্থলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে ফুটপাত উন্নয়ন ও পাকা করার কাজ শুরু হলেও বিভিন্ন স্থানে বসার ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রোগীর স্বজনদেরও ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো।

গত ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টি তাঁর কাছে তুলে ধরা হয়। প্রশাসক বিষয়টি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতে রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে অল্প সময়ের মধ্যেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ফুটপাতে বেঞ্চ স্থাপন করা হয়। ইতোমধ্যে ১০ টি বেঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে, আরো ১৫ টি স্থাপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নতুন স্থাপিত এসব বেঞ্চ এখন শিক্ষার্থীদের বিশ্রাম এবং রোগীর স্বজনদের সাময়িক অবকাশের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ডা. রিমন আলী জানান, রাসিক প্রশাসক ক্যাম্পাস পরিদর্শনে এলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখার পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও আকর্ষণীয় বেঞ্চ স্থাপনের দাবি জানানো হয়। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ে দাবিটি বাস্তবায়ন করায় রাসিক প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও ক্যাম্পাস উন্নয়নে এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ আরও আধুনিক ও প্রাণবন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এগিয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : খাল খনন প্রায় ৫০ শতাংশ অর্জন হয়েছে : জেলা প্রশাসক

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন