বিজ্ঞাপন

গাংনী ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসেতালা ভেঙ্গে ও গ্রিল কেটে নথিপত্র তছনছ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বুধবার (১৩ মে) দিবাগত গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা অফিসের তালা ভেঙ্গে ও গ্রিল কেটে প্রবেশ করে।এসময় তারা অফিসের নথিপত্র তছনছ করে। তবে কোন টাকা বা নথি চুরি হয়েছে কিনা তা বলতে পারেন নি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগন। এ ঘটনায় সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাতের কোনো এক সময় একদল দুর্বৃত্ত গাংনী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের গ্রিলগেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় অফিসের কয়েকটি কক্ষের তালা ভেঙে তছনছ করা হয়। ভূমি অফিসের কিছু অংশেও চুরির চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তরা অফিসের ভেতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও কাগজপত্র এলোমেলো করে ফেলে বলে জানা গেছে।বৃহস্পতিবার সকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে এসে তালা ভাঙা ও বিভিন্ন কক্ষ তছনছ অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায় চুরি ও চুরির চেষ্টা বেড়ে গেছে। এর আগেও গাংনী উপজেলা চত্বর থেকে দুটি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোগাড়ি চুরির ঘটনা ঘটে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় সরকারি অফিস ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিসে কী উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা ঢোকার চেষ্টা করেছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের সনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।

গাংনী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নাইমা ইসলাম জানান, দুর্বৃত্তরা অফিসের একাধিক কক্ষের তালা ভেঙেছে। তবে এখন পর্যন্ত কী কী মালামাল বা নথি খোয়া গেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পড়ুন:নরসিংদীতে মার্কেটে চাঁদাবাজি ও হামলায় মালিক-ছেলে আহত

দেখুন:অক্টোপাস ‘পল’ থেকে জাদুকরদের ভবিষ্যদ্বাণী-বিশ্বকাপের সবচেয়ে পাগলাটে গল্প | 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন