চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর মো.শওকত আলী (৩৫) নামে এক বাংলাদেশী গরুর রাখালের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শওকত আলী শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুঁঠাপাড়ার মৃত মিজানের ছেলে। শনিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার পদ্মা নদীর চর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মতিউর রহমান।
নিহতের স্বজনরা জানান,গত ৯ মে অন্যদের সঙ্গে গরু আনার জন্য ভারতের দিকে যান শওকত আলী। সহযোগিরা ফিরে এলেও নিখোঁজ ছিলেন তিনি।
গতরাতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে গোপনে দাফনের প্রস্ততি নিলে খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
তবে স্থানীয়দের দাবি গরু নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফ হত্যা করে শওকতের মরদেহ নদীতে ফেলে দিয়েছে। এরআগেও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বিএসএফ।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.মতিউর রহমান বলেন,মরদেহটি অর্ধগলিত থাকায় মৃত্যুর কারন সনাক্ত করা যায়নি। এঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হবে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর কারন উদঘাটন হবে।
গোদাগাড়ী নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জীবন রায় বলেন,মরদেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধীক চিহ্ন রয়েছে। বিশেষ করে পা,হাত ও বুকের জখম গরুত্বর। ধারনা করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়েন অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন,মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারন বলা যাবে না। ঘটনাটি তদন্তে বিজিবি কাজ করছে বলেও জানান তিনি।


