বিজ্ঞাপন

কাতারে ঈদুল আযহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, ছুটির অপেক্ষায় বাংলাদেশী প্রবাসীরা

কাতার ক্যালেন্ডার হাউস জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী ঘোষণা করেছে, আগামী সোমবার ১৮ মে ২০২৬ থেকে পবিত্র জিলহজ মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে অনুযায়ী, পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হতে পারে আগামী বুধবার, ২৭ মে ২০২৬।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার এক ঘোষণায় কাতার ক্যালেন্ডার হাউসের নির্বাহী পরিচালক ড. ফয়সাল আল আনসারি জানান, বিশেষজ্ঞদের সুনির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা অনুযায়ী শনিবার রাত ১১টা ০২ মিনিটে দোহা সময়ে জিলহজ মাসের চাঁদের জন্ম হবে।

তিনি আরও বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় কাতারসহ আরব ও ইসলামিক বিশ্বে নতুন চাঁদ দেখা “অসম্ভব” হবে, কারণ সূর্যাস্তের সময় পর্যন্ত চাঁদের জন্মই হবে না। ফলে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী সোমবার থেকেই জিলহজ মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ইসলামি রীতি অনুযায়ী চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জিলহজ মাস ও ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করবে।

পবিত্র জিলহজ ইসলামি হিজরি বর্ষের শেষ মাস এবং মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি সময়। এ মাসেই হজ পালন করা হয় এবং বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা ঈদুল আযহা উদযাপন করেন।

এদিকে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝেও ঈদুল আযহাকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। অনেক প্রবাসী ইতোমধ্যে ঈদের ছুটিতে বাংলাদেশে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। দোহা থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটের বিমান টিকিটের চাহিদাও বেড়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ বিমানের কাতার কান্ট্রি ম্যানেজার কামাল উদ্দিন বলেন, “ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে দেশে যাওয়ার আগ্রহ অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে দোহা-ঢাকা রুটে বাংলাদেশ বিমানের টিকিটের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রবাসীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ বিমান সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

অন্যদিকে, বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমির সভাপতি আক্তার জামান মামুন বলেন, “ঈদ শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি প্রবাসীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করে। ঈদুল আযহা উপলক্ষে কাতারে বাংলাদেশি কমিউনিটির অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঈদ পুনর্মিলনী ও নানা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এসব আয়োজন প্রবাসীদের মাঝে দেশের সংস্কৃতি ও উৎসবের আবহ তৈরি করবে।”

এছাড়া অনেকে কাতারেই পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠন ইতোমধ্যে ঈদকেন্দ্রিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রবাসীরা আশা প্রকাশ করেছেন, পবিত্র ঈদুল আযহা ত্যাগ, সম্প্রীতি ও মানবতার শিক্ষা নিয়ে আসবে এবং প্রবাস জীবনে আনন্দ ও স্বস্তির বার্তা পৌঁছে দেবে।

পড়ুন- বিএনপি-এনসিপি উত্তেজনা, জিইসি মোড়ে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন