উম্মে হাবিবা মিম রাজশাহী চারঘাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কুঠিপাড়া গ্রামের হাবিলের ছোট মেয়ে। সে নবম শ্রেনীর ছাত্রী। বেশ কয়েকমাস পূর্বে ভুক্তভোগী সড়ক দূর্ঘটনার শিকার হয়। তারপর থেকেই, হঠাৎ করেই মিমের চোক, কান,নাক এবং নাভি দিয়ে রক্ত খরন হয়। বাঁচার আশায় ফেসবুকে সাহায্য প্রার্থনা করেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ভিড়িও ভাইরাল হয়েছে। এফবি’র সূত্র ধরে মিমের বাড়িতে গেয়ে দেখা যায়, বিরল রোগে আকান্ত মিম পারিবরিক অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। যার কারনে চিকিৎসার ব্যয় ভার তাদের পক্ষে সম্ভব না। এই পরিবার বাঁচার তাগিদে ফেসবুকে একটি ভিড়িও পোষ্ট করে। বাঁচার আকুতি জানিয়ে সকলের নিকট সাহায্য চাচ্ছে।
পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, মিমের বাবা একজন মটর ম্যাকানিক। তিনি ঢাকায় একটি মটর গ্যারেজে কাজ করে। তার ওই সামন্য আয় দিয়ে পরিবার ও তার মেয়ের চিবিৎসার ব্যয় করা সম্ভব না। মিমের বাবা হাবিল মুঠোফোনে বলেন, তার একমাত্র ভরাসা “আল্লাহ”। তার আত্মিয় স্বজনদের আর্থিক অবস্থাও ভালো না। ভুক্তভোগীর “মা” শুধু কান্না করে বলছেন, সকলের সহযোগিতা পেলে তার সন্তান পৃথিবিতে বাঁচতে পাড়বে।
পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বৃত্তবানদের নিকট গেলেও কোন সাহায্য তারা পাইনি। পরিশেষে তারা চারঘাট উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এর নিকট আর্থিক সহযোগিতার প্রার্থনা করেন। কিন্ত সরকারী নিয়মনীতির কারনে তারা সরকারী অনুদান পাওয়ার ক্যাটাগরিতে পড়ছে না।
এবিষয়ে সমাজসেবা অফিসার রাশেদ্দুজ্জামান বলেন, সরকারী অনুদান প্রাপ্তির জন্য নিয়ম নীতির মধ্যে থাকতে হয়। তার রোগের চিকিৎসা বিজ্ঞানে বা চিকিৎসকদের পরামর্শ লিখিত কোন তথ্য নেই। বিরল এই রোগটি তাদের কাছেও অপরিচিত। মিমও তার পরিবার সাহায্যের আবেদন নিয়ে এসেছিল কিন্ত সরকারী অনুদান ক্যাটাগরিতে তাকে সহযোগতি করা যাচ্ছে না।
পড়ুন:রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ
দেখুন:যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার ইরানের নজর পশ্চিমাদের দিকে?
ইমি/


