দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া ইসমাইল হকের (৬৫) মরদেহ দীর্ঘ ১৯ দিন পর দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের শূন্যরেখায় দুই দেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত ইসমাইল হক দিনাজপুরের বিরল উপজেলার কামদেবপুর গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ মে দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত এলাকায় পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরতে নেমে তীব্র স্রোতে নিখোঁজ হন ইসমাইল হক। ঘটনার পর বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সীমান্ত এলাকা পর্যন্ত ব্যাপক তল্লাশি চালালেও তার কোনো খোঁজ পায়নি। ধারণা করা হয়, নদীর স্রোতে ভেসে তিনি ভারতীয় সীমান্তে ঢুকে পড়েন। পরে ভারতের অভ্যন্তরে তার মরদেহ উদ্ধার হলে পরিবারের সদস্যরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ শুরু করেন।
দুই দেশের আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে আজ তার মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
ভারতের ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ লিশিদ লাহা আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (চলতি দ্বায়িত্ব) তালেবের কাছে মরদেহটি বুঝিয়ে দেন।
আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর হিলি চেকপোস্টে উপস্থিত ইসমাইল হকের স্বজনদের কাছে লাশটি হস্তান্তর করে পুলিশ।
স্বজনরা জানান, জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল, তবে দীর্ঘ ২০ দিন পর হলেও অন্তত শেষবারের মতো তাকে দেখতে পাওয়া এবং দেশের মাটিতে দাফন করতে পারার সান্ত্বনা পাচ্ছেন তারা।
পড়ুন- সেনা কর্মকর্তা নির্জন হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন


