বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর কাছে উদ্যোক্তা পিংকির নিরাপত্তার আবেদন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এমবি ভায়োলেন্স ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সচল রাখাসহ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন জাতীয় পুরস্কার স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তা পিংকি বেগম। শুক্রবার বেলা ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলার আবুবকরপুর ইউনিয়নের ওই উদ্যোক্তা নারীর নিজ খামার বাড়িতে সংবাদকর্মীদের কাছে এ আবেদন জানান।

উদ্যোক্তা পিংকি বলেন,২০১৬ সাল থেকে তিনি হাঁস,মুরগী, মাছ ও গরু ছাগল ভেড়া লালন পালন করে প্রয়োজন গ্রুপ নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন বলে ভুক্তভোগী জানান। এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় শতাধিক বেকার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থানের মধ্য দিয়ে ব্যবসাটি দীর্ঘদিন সুনামের সাথে ঠিকঠাক চললেও জুলাই অভ্যুত্থান আন্দোলন শেষে একটি চক্র সরকার দলীয় পরিচয় দিয়ে তার কাছ চাঁদা দাবী করে। চাঁদা না দেয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের ষড়যন্ত্র করে নারী উদ্যোক্তার গ্রাহকদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের পায়তারা করছে। পিংকি বেগম বলেন, চাঁদাবাজ চক্রটির এমন কর্মকান্ডে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। তার হাঁস মুরগী ও মাছের খামারে এ চক্রটি বিষ প্রয়োগ করে বা রাস্তাঘাটে বের হলে মব ভায়োলেন্স সৃষ্টি করে তাকে হেনস্থার ভয় আর আতঙ্কে তিনি এখন বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। এ অবস্থা থেকে তিনি পরিত্রাণ পেতে এবং তার ব্যবসাগুলো সচল করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম নয়নের সহায়তা চেয়েছেন। তিনি বলেন, আমি চাই আমার মতো একশো নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী হোক। আমি চাই কোনো নারী যেনো ঘরে বসে না থাকে। প্রত্যেক নারীর হাত যেনো দেশ ও জনগণের স্বার্থে কর্মের হাতে পরিণত হয়। আমার প্রতিষ্ঠানের পণ্য সামগ্রী ২৬টি দেশে রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি হতো। অথচ দেখুন চাঁদা না পেয়ে প্রায় ৬ মাস পূর্বে উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে আমার আর্থিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওই চক্রটির ইন্দনে মব তৈরি করে লুটপাট চালায়। আমি যেখানেই যাই এই চক্রটি আমার পেছনে তাদের লোকজন দিয়ে আমাকে অফিস আদালত সহ বিভিন্ন যায়গায় বিতর্কিত করে আমার প্রজেক্টের কাজ নষ্ট করে দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারিদের রুখতে বিজিবির ফাঁকা গুলি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন