বিজ্ঞাপন

এফসিএস নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

খুলনায় ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ (এফসিএস) নামে একটি মার্শাল আর্ট সংগঠনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা শাহ আমানত সাবির। রোববার বিকেলে নগরীর একটি হোটেলের কনফারেন্স রুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে শাহ আমানত সাবির বলেন, সম্প্রতি অনলাইন ও অফলাইনে তাদের সংগঠনকে উগ্রবাদী ও জঙ্গিবাদী সংগঠন হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার ভাষ্য, একটি মহল প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে পরিকল্পিতভাবে অপ্রচার চালাচ্ছে।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং জাতীয় পর্যায়ে একাধিক পদক অর্জন করেছেন। ২০২৫ সালের শেষদিকে একটি মার্শাল আর্ট ফেডারেশন থেকে পদত্যাগের পর ২০২৬ সালের শুরুতে তিনি “ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম” প্রতিষ্ঠা করেন। তার দাবি, সংগঠনটি আত্মরক্ষামূলক মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে এবং এখানে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু নিয়ম অনুসরণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি ও বিদেশি গণমাধ্যম তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, অস্ত্র প্রশিক্ষণ ও সদস্য সংগ্রহের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। শাহ আমানত সাবির বলেন, “আমি কখনো দেশের বাইরে যাইনি, এমনকি আমার পাসপোর্টও নেই। কিশোরগঞ্জে যাওয়ার অভিজ্ঞতাও আমার হয়নি। সেখানে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালনার অভিযোগ হাস্যকর।”
তিনি আরও বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে তাদের বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম খোলা মাঠে পরিচালিত হয়। সংগঠনটির নিজস্ব বড় ধরনের অবকাঠামো বা অর্থায়ন নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণ চালুর আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।

পড়ুন:ঈদ যাত্রার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, এক ঘন্টা পর ছেড়ে গেল ট্রেন যাত্রীদের দুর্ভোগ

দেখুন:গাজা যু/দ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি অ/স্ত্র দিল ভারত! 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন