বিজ্ঞাপন

বৃষ্টি-কাঁদা উপেক্ষা করে জমে উঠেছে মির্জাপুরের দেওহাটা গরুর হাট

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। এরই মধ্যে বৃষ্টি ও কাঁদা উপেক্ষা করে কুরবানির পশু কিনতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দেওহাটা গরুর হাটে ভিড় করছেন ক্রেতারা। শেষ মুহূর্তের কেনাবেচায় জমে উঠেছে হাটটি। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো হাট এলাকা।
মির্জাপুরের অন্যতম বড় ও পুরনো পশুর হাট হিসেবে পরিচিত দেওহাটা গরুর হাটে সকাল থেকেই ছিল ব্যাপক ভিড়। সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে হাটের বিভিন্ন স্থানে কাঁদা ও পানি জমে চলাচলে কিছুটা দুর্ভোগ তৈরি হলেও কুরবানির পশু কিনতে মানুষের আগ্রহে ভাটা পড়েনি।
হাট ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গরু, মহিষ ও ছাগল কেনাবেচা চলছে। দেশীয় জাতের পাশাপাশি বিভিন্ন খামারে লালন-পালন করা বড়, মাঝারি ও ছোট আকৃতির গরুও বিক্রির জন্য উঠেছে হাটে। বিক্রেতারা পশুর গুণগত মান ও আকারভেদে দাম হাঁকছেন। শেষ সময়ে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ায় হাটে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য দেখা গেছে।
হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, ঈদের একেবারে শেষ সময়ে এসে পছন্দমতো পশু কিনতে তারা হাটে এসেছেন। কেউ বাজেট অনুযায়ী পশু কিনছেন, আবার কেউ দরদাম করে তুলনামূলক কম দামে ভালো পশু পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
অন্যদিকে বিক্রেতারা জানান, শেষ মুহূর্তে ক্রেতার চাপ বেড়েছে। তাই ভালো দামে পশু বিক্রির আশায় অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে গরু নিয়ে এসেছেন দেওহাটা হাটে।
স্থানীয়দের মতে, বৃষ্টি ও কাঁদার কারণে কিছুটা ভোগান্তি থাকলেও কুরবানির ঈদকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের কেনাবেচায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী দেওহাটা গরুর হাট। ঈদের আগে শেষ সময়ে হাটজুড়ে চলছে জমজমাট বেচাকেনা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট

দেখুন:ঘরে বসেই মাসে অর্ধ লক্ষ টাকা আয় করছেন সুমা!

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন