পবিত্র ঈদুল আজহার পঞ্চম দিনে সোমবার (১ জুন) রাজধানীর অন্যতম প্রবেশপথ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফেরা কর্মজীবী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। টানা সাত দিনের ছুটি শেষে আজ সরকারি–বেসরকারি বিভিন্ন পেশাজীবী কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকায় ফিরছেন। এ কারণে সকাল থেকে ঢাকায় ফেরা প্রায় প্রতিটি ট্রেনেই ভোগান্তি নিয়ে ফিরতে হয়েছে যাত্রীদের।
যাত্রীরা বলছেন, টিকিট কেটেও অনেকেই সিট পর্যন্ত যেতে পারেননি। কেউ কেউ ট্রেনের গেটে ঝুলে ভ্রমণ করেছেন। আবার প্রতিটি ট্রেনই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত দেরিতে ঢাকায় পৌঁছেছে। এতে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ দিতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছে অন্তত ১২টি ট্রেন। প্রতিটি ট্রেনেই ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রীদের বড় একটি অংশ নেমে যাওয়ার পরও কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছানো প্রায় প্রতিটি ট্রেনেই জনস্রোত দেখা গেছে। সিটে বসা যাত্রীদের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী নিয়েও ট্রেনগুলো বোঝাই অবস্থায় এসেছে।
সকাল ৯টার দিকে জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক্সপ্রেস’-এ দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের গেটে ঝুলে ঝুলে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে। অনেকেই টিকিট কেটেও সিট পর্যন্ত যেতে পারেননি।
এছাড়া কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী থেকে আসা ট্রেনগুলোতেও একই ধরনের ভিড় দেখা গেছে। এসব ট্রেনেও দাঁড়িয়ে যাত্রী বোঝাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছায়।
সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছায় পঞ্চগড় থেকে আসা ‘একতা এক্সপ্রেস’। এ ট্রেনের যাত্রী মহিদুল অভিযোগ করে বলেন, তিনি স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন। অনলাইনে টিকিট কেটেও সিটে বসতে পারেননি, এমনকি নিজের বগিতেও উঠতে পারেননি।
পড়ুন: শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ কাল
আর/


