বিজ্ঞাপন

আটকের পর র‍্যাব হেফাজত থেকে হত্যা মামলার আসামি হাতকড়াসহ পালানোর অভিযোগ !

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আলোচিত উমায়ের হত্যা মামলার চিহ্নিত আসামি শহিদকে আটকের পর র‍্যাবের হেফাজত থেকে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ঘটনায় র‍্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে কোনো অভিযান পরিচালনার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকার হৈচৈ পার্ক সংলগ্ন স্থান থেকে শহিদকে আটক করা হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। শহিদ ওই এলাকার জালাল মাতবরের ছেলে এবং আলোচিত উমায়ের হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিভিল পোশাকে আসা একটি দল শহিদকে আটক করে। পরে তার হাতে হাতকড়া পরিয়ে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে হৈচৈ শুরু করেন এবং আসামিকে নিয়ে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার সুযোগে শহিদ হাতকড়া পরা অবস্থাতেই পালিয়ে যায়। এরপর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক মোক্তার হোসেন বলেন, শহিদকে আটকের পর ঘটনাস্থলে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে হৈচৈ শুরু করে। এর মধ্যেই সে পালিয়ে যায়। তবে সে নিজে পালিয়েছে নাকি কেউ তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে, সেটি স্পষ্টভাবে বলতে পারছি না। সম্ভবত চারজন সিভিল পোশাকধারী সদস্য সেখানে ছিলেন। নিহত উমায়ের আমার ছাত্র ছিল।

তবে এ বিষয়ে র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই এলাকায় আমাদের কোনো টিম অভিযান পরিচালনা করেনি। বিষয়টি আমার জানা নেই।

একদিকে স্থানীয়দের দাবি, অন্যদিকে র‍্যাবের অস্বীকৃতির কারণে ঘটনাটি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কে বা কারা শহিদকে আটক করেছিল এবং কীভাবে সে পালিয়ে গেল তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

পড়ুন- ‘মেইন আসামি ডলারকে ধরেন, আমি ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন