বিজ্ঞাপন

সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ এফওএইচ’র

নীলফামারীর সৈয়দপুরে পিছিয়ে পড়া প্রায় ১৩শ শিক্ষার্থীর মাঝে ১ কেজি ২০০ গ্রাম করে কোরবানির মাংস উপহার দিয়েছে বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডস অফ হিউম্যানিটি (এফওএইচ)। এছাড়া প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্টাফ ও কয়েক শতাধিক দুস্থদের মাঝেও দেওয়া হয় এ কোরবানির মাংস। গত শুক্রবার শহরের এফওএইচ প্রাইমারি স্কুল চত্বরে সংস্থার অধীনে উপহার হিসেবে কোরবানির মাংস তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

সংস্থার কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৩টি গরু ও ৩৩ টি ছাগল কোরবানি করার মাধ্যমে কোরবানি প্রোগ্রাম ২০২৬ সফলভাবে বাস্তাবায়ন করা হয়েছে। এরমধ্যে এফওএইচ’র ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬২৫ জন শিক্ষার্থী, এফওএইচ ১টি হাই স্কুলের ৫০২ জন শিক্ষার্থী, এফওএইচ কোচিং সেন্টারের ১০০ জন শিক্ষার্থী, এফওএইচ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ৬০ জন শিক্ষার্থীসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মরতা শিক্ষক ও কর্মচারীদের মাঝে উল্লেখি পরিমান কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়। বেশ কয়েক বছর ধরে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংস্থাটি।

মূলত এটি পরিচালনা করে হিউম্যানিটি ইন ডিসট্রেস (হিড) রংপুর সংস্থা। সৈয়দপুর উপজেলায় হিড সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত হয় বেশকয়েকটি এফওএইচ স্কুল রয়েছে। স্কুল থেকে ঝড়ে পড়া বা পিছিয়ে পড়া শিশুদের পুনরায় শিক্ষায় আনার ব্যবস্থা করে সংস্থাটি। আর ওই স্কুলে অধ্যয়নরত ক্যাম্পের গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবার, শিক্ষক, শিক্ষিকা এবং ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল কর্মচারীর পরিবারের মাঝে কোরবানি প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করা হয় প্রতিবছর।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডস অফ হিউম্যানিটির কান্ট্রি ডিরেক্টর সৈয়দ ওসামা জালাল, হিউম্যানিটি অব হিডের রংপুর সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান এম এ বারি, আব্দুল লতিফসহ এফওএইচ এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এফওএইচ-এর শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা।

ফ্রেন্ডস অফ হিউম্যানিটির কান্ট্রি ডিরেক্টর সৈয়দ ওসামা জালাল জানান, সমাজের অসচ্ছল মানুষদের শিশুদের আবারও শিক্ষায় ফিরিয়ে আনাসহ তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের যাবতীয় খরচ বহনের পাশাপাশি তাদের মাঝে মানবিক সহায়তার লক্ষ্যে কোরবানিতে মাংস, ঈদে খাদ্য, শীতে শীতবস্ত্র বিতরণসহ আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি স্থানীয় প্রশাসনসহ সৈয়দপুরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

এফওএইচ স্কুল প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আব্দুল লতিফ জানান, অবাঙালি ক্যাম্পের বাসিন্দা, যারা অর্থাভাবে তাদের সন্তানদের পড়ালেখা করাতে পারছেন না, তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এছাড়া সমাজের অনগ্রসর পরিবারের সন্তানরাও এ সুবিধার আওতায় এসেছে।

পড়ুন- রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: আদালতে প্রধান আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন