বিজ্ঞাপন

সীমাবদ্ধতাকে ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রম দিয়ে অতিক্রম করতে হবে: ডিসি জাহিদ

সামনে যত সীমাবদ্ধতাই থাকুক না কেন, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তা অতিক্রম করে সফলতার শিখরে পৌঁছানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, পৃথিবীর যেসব মানুষ নিজেদের মেধা ও কর্মে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন, তাদের অধিকাংশই প্রতিকূল পরিবেশ ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়েই উঠে এসেছেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫-২৬ (জেলা পর্যায়)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে জেলার ১১টি স্কুল দল অংশগ্রহণ করছে।

তরুণ খেলোয়াড়দের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, “তোমাদের অনেকেরই মনে হতে পারে সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে বা নানা সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু যারা পৃথিবীতে সফল হয়েছেন, তারা সংগ্রাম, ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন। তাই বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করতে হবে।”

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও উঁচুতে নিতে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন, আত্মনিবেদন এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার মানসিকতা।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, “যেভাবে প্রযুক্তির নতুন নতুন সংস্করণ আসে, সেভাবেই আমাদেরও প্রতিদিন নিজেদের আরও উন্নত সংস্করণ তৈরি করতে হবে। একজন ব্যাটসম্যানকে আগামীকাল আজকের চেয়ে ভালো খেলতে হবে, একজন বোলারকে নতুন নতুন বৈচিত্র্য আনতে হবে। শেখার কোনো শেষ নেই।”

তরুণদের দেশের প্রকৃত সম্পদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রত্যেকের একটি লক্ষ্য ও স্বপ্ন থাকা প্রয়োজন। এমন স্বপ্ন, যা নিজের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তবে রূপ দেওয়া যায়। আমরা চাই আগামী দিনে তোমরাই দেশের প্রকৃত সম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠো।”

মাদকাসক্তি ও অনলাইন গেমের নেতিবাচক প্রভাব থেকে তরুণদের দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণে কাজ করছে।

খেলাধুলার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হিসেবে দলগত চেতনার কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, “একা কোনো বড় কাজ করা যায় না। খেলাধুলা আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে শেখায়, পারস্পরিক সহযোগিতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি তৈরি করে। দেশ গঠনের ক্ষেত্রেও এই চেতনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

এর আগে বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। পরে তিনি অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ফের হামলা-পাল্টা হামলা

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন