বিজ্ঞাপন

আটকের পর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আদালতে নেওয়ার পথে যা বললেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা

মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রাকিবুল ইসলাম টুটুলকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নেওয়ার পথে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মেহেরপুর থানা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য দেন।

বিজ্ঞাপন

রাকিবুল ইসলাম টুটুল গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় বুধবার (৩ জুন) দিবাগত মধ্যরাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার থানা হেফাজত থেকে আদালতে নেওয়ার সময় থানা চত্বরে উপস্থিত লোকজনের সামনে টুটুল বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “আমি জন্মগতভাবে অপরাধী নই। এ দেশে জন্মগ্রহণ করেছি, সেটাই আজ আমার সবচেয়ে বড় অন্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিনা অপরাধে আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করেছি, সাধারণ মানুষের সেবা করার জন্য রাজনীতি করেছি। আজ আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শুধু আমি ‘জয় বাংলার’ লোক বলে। যদি ‘জয় বাংলা’ করা অপরাধ হয়, তাহলে আমি সেই অপরাধে অপরাধী। তবে মনে রাখবেন, আজ যারা আমাকে অপরাধী বানিয়েছেন, কাল একদিন তারাও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন। মানুষের মুক্তির জন্য শেখ হাসিনা আবার দেশে ফিরে আসবেন এবং দেশের মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করবেন।”

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, “আপনি আজ আমাদের রাজনৈতিক অধিকার সীমিত করেছেন। একদিন আপনার দলের রাজনৈতিক অধিকারও সীমিত হতে পারে।”

এদিকে টুটুলের এই বক্তব্য ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে ঘিরে থানা চত্বরে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

এ বিষয়ে গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, “বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রাকিবুল ইসলাম টুটুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে সোপর্দ করার পর আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”

পড়ুন: শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন