বিজ্ঞাপন

ফ্রান্সের হারে বড় সুখবরের সঙ্গে দুঃসংবাদও পেল আর্জেন্টিনা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ঠিক আগে আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে এই অবস্থান আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি ইতিহাসভিত্তিক একটি পরিসংখ্যান কিছুটা দুশ্চিন্তার কারণও হয়ে উঠছে।

বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচগুলোর পর র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। ফ্রান্স তাদের প্রীতি ম্যাচে আইভরিকোস্টোর কাছে ২-১ গোলে হেরে পয়েন্ট হারালে তারা নেমে যায় তিন নম্বরে। একই সময়ে স্পেন ইরাকের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হারায়। এই সুযোগে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান দখল করে নেয় আর্জেন্টিনা।

তবে র‌্যাঙ্কিংয়ের এই সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক অস্বস্তিকর ইতিহাস। ১৯৯২ সালে ফিফা র‌্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বকাপেই টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এক নম্বর অবস্থানে থাকা দল শিরোপা জিততে পারেনি।

এই প্রবণতার শুরু ১৯৯৪ বিশ্বকাপ থেকে। তখন শীর্ষে ছিল জার্মানি, কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনালেই বিদায় নেয়। শিরোপা জেতে ব্রাজিল ফুটবল দল।

এরপর ১৯৯৮ বিশ্বকাপের আগে শীর্ষে থাকা ব্রাজিল ফাইনালে উঠলেও স্বাগতিক ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়। ২০০২ সালে আবারও ব্যর্থ হয় শীর্ষ দল; তখন এক নম্বরে থাকা ফ্রান্স গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়।

পরবর্তী আসরগুলোতেও একই ধারা অব্যাহত থাকে। ২০০৬ সালে শীর্ষে থাকা ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ে। ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে যথাক্রমে ব্রাজিল ও স্পেনও শিরোপা জিততে ব্যর্থ হয়। ২০১৮ সালে এক নম্বর র‌্যাঙ্কিং নিয়ে মাঠে নামা জার্মানি গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়।

সর্বশেষ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও একই পরিণতি দেখা যায়। টুর্নামেন্টের আগে শীর্ষে থাকা ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয়। অথচ সেই আসরেই ইতিহাস গড়ে শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা।

ফলে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা আর্জেন্টিনার সামনে এখন একদিকে যেমন আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি রয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে অতীতের এক অদ্ভুত পরিসংখ্যান। ইতিহাস কি এবারও একই পথে হাঁটে, নাকি আলবিসেলেস্তেরা সেই ধারা ভেঙে নতুন অধ্যায় লেখে সে উত্তর মিলবে আগামী বিশ্বকাপেই।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : একনজরে ফুটবল বিশ্বকাপের ৪৮ দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন