বিজ্ঞাপন

বাংলা-ইতিহাসসহ ৬ বিষয়ের অনার্স বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সনদ নির্ভরতার পরিবর্তে দক্ষতা ও কর্মমুখী করার লক্ষ্যে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এমন খবর মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওইসব প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন একটি খসড়া মডেল অনুযায়ী বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ প্রায় ছয়টি বিষয়ের প্রথাগত অনার্স কোর্স বাতিল করে অন্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

খবরে আরও বলা হয়, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে পাঠ্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো প্রযুক্তিনির্ভর বিষয় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কলেজ পর্যায়ে ক্যারিয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সাতটি বিদেশি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।

তবে অনার্স পর্যায়ে বাংলাসহ ছয়টি বিষয়ের কোর্স বন্ধের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘এমন কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।’

তিনি বলেন, অনার্স পর্যায়ে বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ কোনো বিষয় বন্ধের বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা আসেনি। ফলে এ ধরনের খবর নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

তবে এরইমধ্যে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা বৃদ্ধিতে সনদনির্ভর শিক্ষা থেকে দক্ষতা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষার বড় রূপান্তরের পথে হাঁটছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ থেকে বিদেশি ভাষা শিক্ষা, এআইভিত্তিক পাঠ্যক্রম থেকে পৃথক এক্সাম সেন্টারসহ প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে বিস্তৃত এক মহাপরিকল্পনা।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমানুল্লাহ বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষায় দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থানমুখী করে গড়ে তুলতে বড় ধরনের সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রায় আড়াই হাজার কলেজে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। 

তিনি বলেন, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী শ্রমবাজারের প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার, আইসিটি বিভাগ, এটুআই ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় দক্ষতাভিত্তিক পাঠ্যক্রম চালু করা হয়েছে।

পড়ুন- বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে ও বাড়তে পারে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন