বিজ্ঞাপন

প্রতিবেশীর সাথে সম্পদ ও আনন্দ সহভাগিতা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

সিলেটের গোয়াইনঘাটে সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে “প্রতিবেশীর সাথে সম্পদ ও আনন্দ সহভাগিতা” শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন


বুধবার (১০ জুন) সকালে ওয়ার্ল্ড ভিশন গোয়াইনঘাট এডিপি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সিবিও ও ইউপিজি সদস্যবৃন্দ।

ওয়ার্ল্ড ভিশন গোয়াইনঘাট এপির ম্যানেজার শেলি তেরেজা কস্তার সভাপতিত্বে ও প্রোগ্রাম অফিসার মো. শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর রাজু উইলিয়াম রোজারিও।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জামাল খান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী সুমন, ওয়ার্ল্ড ভিশন, গোয়াইনঘাট এপির স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান, গোয়াইনঘাট এপির প্রোগ্রাম অফিসার ঝলমল মারিয়া, গ্রাম উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি ও শিক্ষক নূরুল হুদা, গোয়াইনঘাট উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মো. সাদিকুর রহমান, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ মির্জা, গ্রাম উন্নয়ন সোসাইটির সদস্য ইসলাম উদ্দিন, রইছ উদ্দিন।


এছাড়াও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সিবিও ও ইউপিজি সদস্য, উপকারভোগী পরিবারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে এলাকার ১০ জন অসহায় ও হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।এ সময় বক্তারা বলেন, সমাজের প্রতিটি সক্ষম ব্যক্তি যদি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, তবে দারিদ্র্য ও বৈষম্য অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু সহায়তা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পদ ও আনন্দ ভাগাভাগি করার মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মানবিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।

অনুষ্ঠান শেষে ওয়ার্ল্ড ভিশনের পূর্বের সাহায্যপ্রাপ্ত উপকারভোগীরা নিজেদের উদ্যোগে নিজ এলাকার অস্বচ্ছল প্রতিবেশীদের মধ্যে গরু, বাছুর, ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগী প্রদান করা হয়। যাতে তারাও ভবিষ্যতে স্বচ্ছল হয়ে আরেকজন অস্বচ্ছল প্রতিবেশির কাছে সাহায্যের হাত বাড়াতে পারে।


এ সময় আয়োজকরা বলেন, ভবিষ্যতেও সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের উদ্যোগ পরিবারগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিশুশ্রম প্রতিরোধ, অপুষ্টি হ্রাস, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধ এবং বাল্যবিবাহমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পড়ুন- সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে শান্তিরক্ষীরা সাহস-ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন