দ্বিতীয় যমুনা সেতু, তৃতীয় মেঘনা সেতু এবং ঢাকা–চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। রাজধানীর যানজট কমানো, সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে একাধিক উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়াতে সরকার সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মহাসড়ক উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোর চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি সমন্বিত যোগাযোগ কাঠামোর আওতায় মাল্টিমোডাল হাব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে ৯৪টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দুর্ঘটনা কমাতে ‘সেফটি সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ ভিত্তিক বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প পুনরায় চালু করা হয়েছে।
অটোমেটেড ফিটনেস সার্টিফিকেট ব্যবস্থা চালু এবং পেশাজীবী চালকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী। প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার জাতীয় এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড গড়ে তোলার জন্য সম্ভাব্য করিডোর চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রাজধানীর যানজট নিরসনে রিং রোড ও রেডিয়াল রোড নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি ৬টি মেট্রোরেল লাইনের সমন্বয়ে আধুনিক গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং মেট্রোরেলের সঙ্গে সংযুক্ত মনোরেলভিত্তিক ফিডার নেটওয়ার্ক নির্মাণের উদ্যোগ রয়েছে।
এছাড়া পর্যায়ক্রমে পুরোনো বাসের পরিবর্তে ইলেকট্রিক বাস চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সড়ক ব্যবস্থাপনা আধুনিক করতে ইলেকট্রনিক টোল আদায় ও স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগও গ্রহণ করা হচ্ছে।


