বিজ্ঞাপন

কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা ও দম্পতিকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা এবং স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (প্রশাসন/এইচআর) মো. আনিছুর রহমান খন্দকার কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল এলাকার সার্কিট হাউজের পেছনে ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন।

তিনি দাবি করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় আব্দুল জলিল, তার দুই ছেলে শুভ ও সাজনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পূর্বে একটি মারধর ও চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ মে সকাল ৮টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও ভাঙচুর চালায়।

এর কিছুক্ষণ পর সকালে প্রায় সাড়ে ৯টার দিকে আনিছুর রহমান ও তার স্ত্রী মনোয়ারা খানম কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সার্কিট হাউজের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাদের গতিরোধ করে হামলা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় একজন অভিযুক্ত চাকু দিয়ে আনিছুর রহমানের পেটে আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিহত করেন। এতে তার বাম হাতে গুরুতর কাটা জখম হয়। একই সময়ে তার স্ত্রী মনোয়ারা খানমের মাথায় কাঠের বর্গা ও বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। তার মাথায় রক্তাক্ত জখম এবং হাতে হাড় ভাঙার মতো গুরুতর আঘাতের সৃষ্টি হয়।

পরে তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া অভিযোগ গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পড়ুন: ড্র নিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিলের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন