বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইলে স্বামীকে কিডনি দিতে চান ফাহিমা, নেই অপারেশনের টাকা

স্বামীকে বাঁচাতে কিডনি দিতে পারছেন না স্ত্রী ফাহিমা। কিডনি দিতে অপারেশনের প্রয়োজন, কিন্তু সেই টাকা নেই ফাহিমার। এই টাকার অভাবেই স্বামীকে কিডনি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে সোমবার সন্ধ্যায় মির্জাপুর প্রেসক্লাবে এসে তিনি এই কষ্টের কথা জানান সাংবাদিকদের। এসময় কিডনি রোগে আক্রান্ত তার স্বামী জহের আলী সিকদার ও বড় মেয়ে যুথী আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

ফাহিমা জানান, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর গ্রামের ছামান উদ্দিন সিকদারের ছেলে জহের আলী সিকদার। ২০০০ সালে পারিবারিকভাবে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের তেলিনা গ্রামের সালাম মিয়ার মেয়ে ফাহিমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে স্বামী জহের আলী সিকদারের ধরা পড়ে জটিল কিডনি রোগ। গত পাঁচ মাসে প্রতি সপ্তাহে দু’বার নিতে হচ্ছে ডায়ালাইসিস। এ পর্যন্ত চিকিৎসায় খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, আমার স্বামী এখন মৃত্যুর প্রহর গুণছেন। স্বামীকে আমার কিডনি দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। কিডনি দিতে প্রয়োজন অপারেশনের। কিন্তু এই অপারেশনের টাকা নেই আমার আছে। কিডনি প্রতিস্থাপন করতে ব্যয় হবে ৬ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে চিকিৎসায় খরচ হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ টাকা। এখনও প্রতি সপ্তাহে ডায়ালাইসিস ও ওষুধ খরচ মিলিয়ে প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়। আত্মীয় স্বজনদের সহযোগিতা নিয়ে এ পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়েছি। সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা পেলে নিজের একটি কিডনি দিয়ে স্বামীকে সুস্থ করে তুলতে চান ফাহিমা।

ফাহিমা আরও বলেন, স্বামী অটোরিকসা চালিয়ে সংসার চালাতেন। পরিবারে রয়েছে দুই মেয়ে ও দুই ছেলে। বড় মেয়ে যুথী এইচএসসি পাস করলেও অর্থের অভাবে এখন পড়াশোনা বন্ধ। ছোট মেয়ে জুই এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং ছোট ছেলে ফয়সাল ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। বড় ছেলে ফাহাদ অটোরিকসা চালিয়ে সংসার চালান। জহের সিকদার ঢাকা কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৩

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন