বিজ্ঞাপন

সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে ৫ শতাধিক হকার উচ্ছেদ

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডের উভয় পাশে ৫ শতাধিক অবৈধ হকার উচ্ছেদ করেছে সাভার উপজেলা প্রশাসন। আজ বিকেল ৩টায় সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযান শেষে ইউএনও সাইফুল ইসলাম বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উভয় পাশে ৫ শতাধিক হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে। মূলত রাস্তায় এবং ফুটপাথে যারা অবৈধ দখলদার রয়েছে এবং যারা হকার আছেন, তাদেরকে আমরা সরিয়ে দিয়েছি। আসলে সর্বস্তরের সাভারের জনগণের চাহিদাই ছিল যে, তারা নিরাপদে ফুটপাথ দিয়ে হাঁটবে। কিন্তু এই হকারদের কারণে মানুষজন নিরাপদে এবং সুন্দরভাবে হাঁটতে পারে না। জনগণের চাহিদা পূরণের জন্যই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

আমরা আগেও দেখেছি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে, কিন্তু পরক্ষণেই আবার হকাররা সেখানে ফিরে এসেছে—এটার কারণ কী, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রমজানের ঈদের পরপরই আমরা উচ্ছেদ অভিযান করে তাদেরকে সরিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর দীর্ঘ দুই মাস এখানে কোনো হকার ছিল না। পরবর্তীতে কোরবানির ঈদের ১০/১২ দিন আগে তারা জোর করেই ফুটপাথে বসে যায়। সে সময় আমরা মানবিক কারণে তাদেরকে সরাইনি। এখন যেহেতু কোরবানির ঈদ শেষ হয়েছে, আমরা তাদেরকে সরিয়ে দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে তাদেরকে পুনর্বাসনের জন্য আমরা চিন্তাভাবনা করছি যে, তাদেরকে এক জায়গায় নিয়ে একটি হকার মার্কেট করা যায় কি না। এ লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকা হকারমুক্ত রাখতে রমজানের ঈদের পর আনসার সদস্য নিয়োগ করে উপজেলা প্রশাসন। এরপর বেশ কিছুদিন স্থানটি হকারমুক্ত থাকলেও গত ৮ মে একই স্থানে জোরপূর্বক হকাররা বসতে চাইলে আনসার সদস্যরা বাধা প্রদান করেন। পরবর্তীতে হকাররা আনসার সদস্যদের ওপর দুই দফায় হামলা চালিয়ে ৭ জন আনসার সদস্যকে আহত করে। এরপর ১০ মে গভীর রাতে হকাররা বাজার বাসস্ট্যান্ডের অদূরে টিনের বেড়া ভেঙে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জমি দখল করে ছোট ছোট চৌকি বসায়। টিনগুলোও রাতের আঁধারে লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হকারদের নামে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর আবার কোরবানির ঈদের পূর্বে হকাররা জোরপূর্বক বাজার বাসস্ট্যান্ডের উভয় পাশ দখল করে দোকান বসায়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গৃহকর্মীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগে এএসআই দম্পতি কারাগারে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন