বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় চাঞ্চল্যকর চুরির রহস্য উদঘাটন, চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার পূর্বধলায় এক দোকানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার জামকোনা গ্রামের সুমন (১৮), দিনাজপুরের কোতয়ালী থানার হাইহাই বটতলী গ্রামের মো. কাউসার আলী (৩৫) এবং বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার জপসান গ্রামের জুলহাস আকন (৩৮)। তারা গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস মধ্যবাজার এলাকায় বসবাস করে আসছিল।

অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া ২১টি বাটন মোবাইল, ১২ প্যাকেট গেরিলা গ্লাস, ১০টি চার্জার টর্চ লাইট এবং দু্ইটি মোবাইলের চার্জারসহ ৪৩ হাজার পাঁচশো টাকার চোরাই মালামাল জব্দ করা হয় ।

রবিবার (২১ জুন) বিকেল ৪টার দিকে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ মে দিবাগত রাতে পূর্বধলা উপজেলার হোগলা বাজারে আনিস সরকারের মালিকানাধীন ‘সরকার টেলিকম’ নামের এক দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। সংঘবদ্ধ চোরেরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বাটন মোবাইল, মিনিট ও এমবি কার্ড, চার্জার লাইট ও প্রটেকশন গ্লাসসহ আনুমানিক ছয় লাখ ৪৩ হাজার পাঁচশো টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় গত ১১ জুন পূর্বধলা থানায় মামলা রুজু করা হয়। মামলা দায়েরের পর পূর্বধলা থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল অপরাধীদের শনাক্তে মাঠে নামে। পূর্বধলা থানার এসআই মো. রাশেদ হাসানের নেতৃত্বে গত শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৪টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানাধীন ভোগড়া বাইপাস এলাকার একটি দোকানে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে চুরির ঘটনায় সরাসরি জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ আজ (রবিবার) দুপুরের দিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নিজে ভিজে অসহায় বৃদ্ধের মাথায় ছাতা ধরলেন ইউপি চেয়ারম্যান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন