শরীয়তপুর পৌর এলাকায় পাঁচ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপিড়নের অভিযোগে ইমরান ছৈয়াল নামে মাদ্রাসার অফিস সহকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২১ জুন) সকালে পৌরসভার ধানুকা এলাকার দারুল আরকান ইবতেদায়ী মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পালং মডেল থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইমরান ছৈয়াল দীর্ঘদিন ধরে ওই শিশুকে যৌন নিপিড়ন করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শিশুটি কয়েকবার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালেও প্রথমদিকে তারা তা গুরুত্ব দেননি।
সবশেষ গত বৃহস্পতিবার আবারও শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে মাদ্রাসা শেষে শিশুটি বিষয়টি পরিবারের কাছে জানালে তারা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্তকে খুঁজে পাননি।
পরে রোববার সকালে পুনরায় মাদ্রাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় ইমরানকে আটক করেন এবং পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, এর আগেও ইমরানের বিরুদ্ধে একাধিক শিশুকে যৌন নিপিড়নের বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, “শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে স্থানীয়দের মাধ্যমে আটক এক ব্যক্তিকে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পড়ুন : তথ্যদাতাদের নিরাপত্তায় কঠোর বার্তা দেওয়ায়, প্রত্যাহার কেএমপি কর্মকর্তা


