বিজ্ঞাপন

পড়াশোনার একঘেয়েমি দূর করতে খুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে নেত্রকোনায় ফল উৎসব

নেত্রকোনার ঐতিহ্যবাহী ওয়েসিস বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলে অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ফল উৎসব-২০২৬’। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার নিয়মিত চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি দিতে এবং হরেক রকমের দেশীয় ও বিদেশি ফলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যতিক্রমী উৎসবের আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২২ জুন) উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষগুলো অত্যন্ত চমৎকারভাবে বিভিন্ন ধরণের ফল সাজানো হয়। টেবিলে টেবিলে থরে থরে সাজানো ছিল আম, কাঁঠাল, লিচু, ড্রাগন ফল, আনারস, কলা, আপেল, আঙুর ও লটকনসহ রকমারি ফল। শিক্ষার্থীরা ফলের তৈরি বিভিন্ন মুখোশ পরে এবং নানা সাজে সেজে উৎসবে মেতে ওঠে।

এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান। তিনি বিভিন্ন শ্রেণীকক্ষ ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে ফল খাইয়ে দেন এবং অনুষ্ঠান শেষে স্কুলের সামনে বৃক্ষরোপন করেন প্রধান অতিথি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে স্কুলের শিক্ষার্থীরা যেন বিভিন্ন রকমের ফল সম্পর্কে জানতে পারে। তাদের ভেতরে ফলের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যমান সম্পর্কে যেন সচেতনতা ও পুষ্টিজ্ঞান জাগ্রত হয়। এর পাশাপাশি চিরাচরিত পড়াশোনার পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসে একটি আনন্দঘন পরিবেশে যেন তাদের পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়, সেটিও এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।”

এ সময় নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং স্কুলের অধ্যক্ষ মুনমুন জাহান লিজা। তিনি এ আয়োজনের বহুমুখী উপকারিতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আজকের দিনে অনেক বাচ্চাই আমাদের দেশীয় ফল ঠিকমতো চেনে না। ফলের পরিচিতির পাশাপাশি কোন ফলের কী পুষ্টিগুণ রয়েছে তা যেন তারা জানতে পারে এবং তাদের দৈনিক খাদ্য তালিকায় ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে- এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। এটি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়োজন নয়, বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে পরিবারের যে নিবিড় যোগসূত্র, তা এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। অভিভাবকেরা অত্যন্ত সচেতনভাবে নিজ নিজ বাচ্চাদের জন্য চমৎকার সব ফ্রুট বাস্কেট সাজিয়ে দিয়েছেন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বাচ্চাদের জন্য যুগোপযোগী শিক্ষার মাধ্যম হয়ে উঠেছে।”

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত থেকে উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলেন। উপস্থিত অভিভাবকেরা এমন শিক্ষণীয় আয়োজনের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।

পড়ুন- মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্তের আহ্বান বাংলাদেশের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন