বিজ্ঞাপন

ভারতে কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৫

ভারতের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের লখনৌতে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগুন থেকে বাঁচতে অনেকে ভবনটি থেকে লাফ দিয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, লখনৌয়ের আলিগঞ্জ এলাকায় একটি কোচিং সেন্টারে আগুন লাগার পর বেশ কয়েকজন ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। প্রাণ বাঁচাতে তাদের অনেকে ভবনের প্রথম তলা থেকে লাফ দিয়েছেন। ভবনটিতে কোচিং সেন্টার ছাড়াও একটি পোষা প্রাণীর দোকান রয়েছেন। এছাড়া আরও অনেক শোরুম রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কোচিং সেন্টারটি ভবনের প্রথম তলায় ছিল। আগুন লাগার পর বেশ কয়েকজন সেখান থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন। একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তিতে আগুন থেকে বাঁচতে লাফিয়ে পড়তেও দেখা গেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ভাঙা জানালা দিয়ে ওই ব্যক্তি বাইরে আসার চেষ্টা করছেন। এরপর তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে কার্নিশ ধরে ঝুলে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি একটি বেড়ার ওপর পড়ে যান। এ সময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। উদ্ধারকাজ পরিদর্শনে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আগুন লাগা ভবনটি তিন তলা ছিল। ওপরের তলায় আগুন লাগার পর দ্রুতই তা ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভরনের ভেতরে বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছিলেন। তাদের মধ্যে শিক্ষার্থীও ছিলেন। তবে ঠিক কতজন আটকে পড়েছিলেন তা স্পষ্ট জানা যায়নি। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, উপর থেকে পাঁচ-সাতজন ঝাঁপ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

এনডিটিভি জানিয়েছে, এ ঘটনায় দ্রুত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখতে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাতার, আহত অর্ধশতাধিক

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন