বিজ্ঞাপন

এনসিসির ১ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (এনসিসি) এলাকায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লাখ ৪০ হাজার ১১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আগামী রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে নগরীর নিতাইগঞ্জ এলাকায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম। অনুষ্ঠানে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপস্থাপনা করেন সিটি করপোরেশনের মেডিকেল অফিসার ডা. নাফিয়া ইসলাম।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে ১৪৪টি স্থায়ী ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রসহ মোট ৩৪০টি সেশনের মাধ্যমে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ হাজার ২৫৫ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৫৬ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম বলেন, ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে প্রতি বছরের মতো এবারও জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভিটামিন ‘এ’ শুধু অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে না, এটি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে।

তিনি আরও জানান, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শিশুদের ভরাপেটে ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে মারাত্মক অসুস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যাপসুল খাওয়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন- ইরানের অবরুদ্ধ ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড়ে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন