দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির নির্বাচন। সেই অচলাবস্থার অবসান হতে যাচ্ছে আগামী ৮ আগস্ট। আসন্ন নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় ছিল প্রযোজক আরশাদ আদনান। সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘প্রিয়তমা’খ্যাত এই প্রযোজক। কিন্তু আরশাদ আদনান চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নাগরিক টিভিকে আরশাদ আদনান বলেছেন, নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তটি একান্তই আমার। আশা করবো, সুস্ঠভাবে সুন্দর একটি পরিবেশের মাধ্যমে প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চলচ্চিত্র প্রযোজকরা তাদের ভোটদানের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব খুজে নেবেন। সবার জন্য আমার শুভকামনা থাকলো।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই চলচ্চিত্রাঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। পরিচালক, শিল্পী, প্রযোজক ও প্রদর্শকদের মধ্যে দীর্ঘদিন পর সংগঠনটির কার্যক্রম সচল হওয়ার আশাবাদ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত নির্বাচনের মাধ্যমে সংগঠনটি আবারও শিল্পের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির সর্বশেষ দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই। এরপর ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিরোধ, আইনি জটিলতা এবং সাংগঠনিক নানা সমস্যার কারণে টানা সাত বছর নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়নি। সেই দীর্ঘ বিরতির পর আসন্ন নির্বাচনকে চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নাগরিক টিভিকে আরশাদ আদনান বলেছেন, নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তটি একান্তই আমার। আশা করবো, সুস্ঠভাবে সুন্দর একটি পরিবেশের মাধ্যমে প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চলচ্চিত্র প্রযোজকরা তাদের ভোটদানের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব খুজে নেবেন। সবার জন্য আমার শুভকামনা থাকলো।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই চলচ্চিত্রাঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। পরিচালক, শিল্পী, প্রযোজক ও প্রদর্শকদের মধ্যে দীর্ঘদিন পর সংগঠনটির কার্যক্রম সচল হওয়ার আশাবাদ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত নির্বাচনের মাধ্যমে সংগঠনটি আবারও শিল্পের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির সর্বশেষ দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই। এরপর ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিরোধ, আইনি জটিলতা এবং সাংগঠনিক নানা সমস্যার কারণে টানা সাত বছর নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়নি। সেই দীর্ঘ বিরতির পর আসন্ন নির্বাচনকে চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।


