এসএসসি ৯২ ব্যাচের বন্ধু দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ ইউনিয়নের চারুলিয়া গ্রামের খান পাড়ার নিহত ফরিদের (৫০) আত্নার মাগফিরাত কামনায় ৯২ ব্যাচ দামুড়হুদা উপজেলার বন্ধুরা দোয়া মাহফিল ও কবর জিয়ারত অনুষ্ঠান করেছেন।
শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে এই দোয়া ও কবর জিয়ারত করা হয়।
নিহত ফরিদ উদ্দিন খান চারুলিয়া গ্রামে প্রয়াত শিক্ষক নজরুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে।
গত ১৮ জুন দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডের একটি পাবলিক টয়লেট স্টকজনিত কারণে ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যুবরণ করেন। নিহত ফরিদ উদ্দিন খানের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কর্মসূত্রে ফরিদ উদ্দিন দীর্ঘ দিন থেকে পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। গত ১৭ জুন রাতে সে তার ৯০ বছর বয়সী অসুস্থ মাকে দেখতে ঢাকার থেকে রওনা দেন। ১৮ জুন সকালে তিনি দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডে নামেন। এর কিছুক্ষণ পরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে তিনি বাসস্ট্যান্ডে পাবলিক টয়লেটে ঢুকে স্টককরে মৃত্যু বরণ করেন।
দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুয়ে থাকা মায়ের অসুস্থতার খবর শুনে ব্যাকুল হৃদয়ে ফরিদ উদ্দিন ছুটে এসেছিলেন মাক দেখতে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মায়ের কাছাকাছি এসেও তিনি দেখতে পারেননি মায়ের মুখ। মায়ের কাছে যাওয়ার আগেই নিয়তির নির্মম পরিহাস মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ফরিদ উদ্দিন।
ঢাকায় চাকরি করলেও গ্রামের প্রতি ছিল তার গভীর টান। কে জানত, এই আসাটাই হবে তার জীবনের শেষ আসা হব!
শুক্রবার জুম্মা’র নামাজ শেষে ফরিদ উদ্দিন খানের রুহের মাগফিরাতের জন্য চারুলিয়া পূর্বপাড়া জামে মসজিদ এবং নয়নাচারা জামে মসজিদে শত শত মুসল্লিদের নিয়ে এসএসসি ৯২ ব্যাচ দামুড়হুদা উপজেলার বন্ধুদের আয়োজনে এই দোয়া মাহফিল ও কবর জিয়ারত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল ও কবর জিয়ারত অনুষ্ঠানে দামুড়হুদা উপজেলার এসএসসি ৯২ ব্যাচের শতাধিক বন্ধু অংশগ্রহণ করেন।
পড়ুন : যুব মহিলা লীগ নেত্রীর হানিট্র্যাপের শিকার বিএনপি নেতা, ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল


