বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় ১৩ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ, পাষণ্ড পিতা গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার পূর্বধলায় নিজের ১৩ বছর বয়সী ঔরসজাত শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে পাষণ্ড পিতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সজিত (৩০) একজন মাদকাসক্ত এবং এরআগে সে নিজের মাকেও ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে আসামিকে নেত্রকোনা জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সজিত পূর্বধলা থানার আগিয়া ইউনিয়নের কৈলাটি গ্রামের মৃত বছির শেখের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে কৈলাটি গ্রামে নিজ ঘরে বর্বরোচিত এই ঘটনা ঘটে। রাতে মাদকাসক্ত সজিত তার ১৩ বছরের শিশুকন্যাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের আত্মচিৎকারে প্রতিবেশীসহ আশপাশের লোকজন টের পেয়ে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে সজিত পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে পূর্বধলা থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সজিতকে গ্রেপ্তার করে এবং ভিকটিম শিশুকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম জানায়, তার পিতা তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত পাষণ্ড পিতা সজিতও নিজ মেয়েকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে।

এদিকে, এলাকাবাসী জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সজিত দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। মাদকের নেশায় বুঁদ হয়ে সে এর আগেও জঘন্য অপরাধের চেষ্টা করেছিল। ইতিপূর্বে সে তার নিজের মাকেও ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওই ঘটনার পর ছেলের ভয়ে এবং অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তার মা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। নিজের জন্মদাতা পিতার এমন পাশবিক কাণ্ডে পুরো এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার মেয়েকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। আজ (শনিবার) আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভিকটিম শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষাসহ এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পড়ুন- ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন